আইপিএল ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের ছাড়পত্র পেল চিন্নাস্বামী, তবে এবারই আরসিবির ফেরা অনিশ্চিত
কয়েক মাসের অনিশ্চয়তা কাটল। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএল ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি পেল।
তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)-র আসন্ন আইপিএল মরশুমে এই মাঠে ফেরা এখনও নিশ্চিত নয়।

গত জুনে আরসিবির আইপিএল জয়ের সেলিব্রেশনের সময় ১১ জনের মর্মান্তিক পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর পর ভারতের অন্যতম এই মাঠটি বন্ধ ছিল। কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (কেএসসিএ)-এর চেষ্টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় "নির্দিষ্ট সরকারি শর্তাবলী মেনে খেলার" অনুমোদন দিয়েছে।
নতুন সভাপতি ভেঙ্কটেশ প্রসাদের নেতৃত্বে কেএসসিএ চিন্নাস্বামীকে খেলার জন্য প্রস্তুত করেছে। কর্ণাটক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছে একটি বিস্তারিত কমপ্লায়েন্স রোডম্যাপ জমা পড়েছে। বোর্ড তাদের বিজ্ঞপ্তিতে "সমস্ত নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও জনসমাগম ব্যবস্থা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়নে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ" বলে জানিয়েছে।
কেএসসিএ বেসকমের (BESCOM) সঙ্গে আগুন-সু রক্ষা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যার সমাধান করেছে। এছাড়া, প্রবেশ ও প্রস্থান গেট প্রশস্তকরণ সহ সংস্কার কাজের জন্য টেন্ডারও প্রকাশ করেছে। আরসিবি সিওও রাজেশ মেনন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে রায়পুরের শহীদ বীর নারায়ণ স্টেডিয়ামে ২০২৬ সালের হোম ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা দেখছেন। পুনের এমসিএ স্টেডিয়াম ও নভি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামও আরসিবি-র সম্ভাব্য ভেন্যু।
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিরাপত্তা সতর্কতা কার্যকর করাই কেএসসিএ-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ। আইপিএল ২৬ মার্চ শুরু হচ্ছে, আরসিবি-এর উদ্বোধনী ম্যাচ খেলার কথা। তবে বিসিসিআই এখনও সূচি বা উদ্বোধনী ভেন্যু জানায়নি, আরসিবি-এর নিশ্চিতকরণের অপেক্ষায়।
গতকাল আরসিবি জনসমাগমের জন্য ৩০০-৩৫০টি এআই-ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। এককালীন ৪.৫ কোটি টাকা খরচ আরসিবি বহন করবে। ৪ জুনের পদপিষ্টের ঘটনার পর চিন্নাস্বামীতে আর কোনও প্রথম সারির ক্রিকেট হয়নি। ফলস্বরূপ, এই ভেন্যু মহারাজা টি-২০, উইমেন্স ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল এবং বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থের বিজয় হাজারে ট্রফির ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ হারিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications