ইংরেজদের চক্ষুশূল বিরাট কোহলির মোতেরায় খেলা নিয়ে সংশয়
আমেদাবাদের মোতেরায় গোলাপি বলে টেস্ট শুরুর আগেই ধাক্কা খেতে পারে ভারত। নির্বাসনের মুখে পড়তে পারেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। চেন্নাইয়ের চিপকে তৃতীয় দিনে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে জো রুটের আবেদন নাকচ করার পর আম্পায়ার নীতিন মেননের সঙ্গে তর্ক করতে দেখা যায় বিরাটকে। এর জেরেই নির্বাসনের খাঁড়া ঝুলছে বিরাটের উপর। বিরাটকে নির্বাসনের দাবি জোরালো হয়েছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট মহল থেকেও।

রুটের বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদন উঠলে তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার নীতিন মেনন। রিভিউ নেয় ভারত। বল প্যাডে লেগে ঋষভ পন্থের হতে জমা পড়লেও লেগ বিফোরের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে দেখা যায়, বল উইকেটে লাগতে পারত। থার্ড আম্পায়ার এটিকে আম্পায়ারস কল হিসেবে জানিয়ে দেন। এরপরও রুটকে লেগ বিফোর না দেওয়ায় মাঠেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আম্পায়ারের দিকে গিয়ে কিছুক্ষণ তর্কাতর্কি করতে দেখা যায় ভারত অধিনায়ককে। খেলার শেষে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল কোচ রবি শাস্ত্রীকেও। এর জেরেই এবার শাস্তি পেতে পারেন ভারত অধিনায়ক।
লেভেল ১ বা লেভেল ২ অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে বিরাটের এই আচরণ। তাঁর জন্য এক থেকে চার ডিমেরিট পয়েন্ট অপেক্ষা করে রয়েছে। গত ২৪ মাসে ইতিমধ্যেই কোহলির সঙ্গে ২ ডিমেরিট পয়েন্ট রয়েছে। আরও ২ যোগ হলে এক টেস্টে নির্বাসিত হতে পারেন বিরাট।
বিরাটের আচরণের নিন্দা করার পাশাপাশি নিজের কলামে ম্যাচ রেফারি জাভাগল শ্রীনাথের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেভিড লয়েড। তিনি বলেছেন, যেভাবে একজন জাতীয় দলের অধিনায়ক ম্যাচ অফিসিয়ালকে প্রকাশ্যে সমালোচনা, অপমান করছেন, হুমকি দিচ্ছেন তারপরও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও শৃঙ্খলাভঙ্গজনিত পদক্ষেপ করা হয়নি দেখে আমি হতাশ ও অবাক। ক্রিকেটেও হলুদ ও রেড কার্ডের মতো ব্যবস্থা থাকুক, এটা তো পুরোপুরি লাল কার্ডের অপরাধ। অথচ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে কোনও পদক্ষেপই করেননি ম্যাচ রেফারি জাভাগল শ্রীনাথ। সাড়ে তিন দিনে তাঁকে কিছুই করতে দেখা গেল না। চিপকের পিচে প্রথম বল থেকেই যা হচ্ছিল তাতে যা হওয়ার তাই হয়েছে। ভারত রান করেছে, উইকেট পেয়েছে, ইংল্যান্ড পিছিয়ে ছিল, সব ঠিক। স্পিন পিচ নিয়েও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু পিচ তো হতে হবে। একই মাঠে দুটি টেস্ট হলো। একটা পিচ ছিল আরেকটা আন্ডারপ্রিপেয়ার্ড। এ ব্যাপারে আইসিসি-র ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি লয়েডের। তবে আইসিসি তেমন সাহস দেখাতে পারবে না বলেও মনে করেন লয়েড। তাঁর ধারণা, আমেদাবাদেও খুব ভালো পিচ হবে না। বিরাট কোহলি একজন অধিনায়ক হিসেবে আম্পায়ারের সঙ্গে যা করেছেন তা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন।












Click it and Unblock the Notifications