মাইলস্টোন টেস্টে নিজের লক্ষ্য স্থির করে ফেললেন ইশান্ত

তৃতীয় ভারতীয় পেসার হিসেবে টেস্টে ৩০০ উইকেটের ক্লাবে ঢুকেছেন চেন্নাইয়ে। আর মোতেরায় খেলবেন কেরিয়ারের শততম টেস্ট। রাহুল দ্রাবিড়ের অধিনায়কত্বে ঢাকায় টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। দেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই ২০১৯ সালে প্রথম গোলাপি বলের টেস্টে ইডেনে প্রথম ইনিংসে ৫টি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট পান। ম্যাচের সেরা হন, হন সিরিজ সেরাও। তেমন পারফরম্যান্সেরই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এবার শততম টেস্ট স্মরণীয় রাখতে চান ইশান্ত।

টেস্টের বিশ্বকাপ জিততে চাই

টেস্টের বিশ্বকাপ জিততে চাই

আজ এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে ইশান্ত বলেন, ১৪ বছরের ক্রিকেট জীবনে অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী থেকেছি। ফলে একটা কোনও ঘটনাকে বেছে নেওয়া মুশকিল আমার ক্রিকেট কেরিয়ারে। তবে শততম টেস্ট খেলার সুযোগ আসছে ভেবে ভালোই লাগছে। জাহির খানের কাছ থেকে অনেক কিছু খুঁটিনাটি শিখেছি। দলের সকলকে একটা কথাই বলে থাকি, ফিট থাকতে সবরকম চেষ্টা করলে তার পুরস্কার মেলে। শততম টেস্ট আমার কেরিয়ারের একটা মাইলস্টোন। তবে ফোকাস রাখব দলের জয় নিশ্চিত করাতেই। এক প্রশ্নের উত্তরে ইশান্ত বলেন, কপিল দেবের ১৩১ টেস্ট খেলার রেকর্ড আমার মাথায় এখন নেই। আমি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে চাই।

দলের জয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ

দলের জয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ

২০১৪ সালের লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন ৭৪ রানের দিয়ে। সেই স্পেলের সঙ্গে ইশান্তের মনে আছে ২০০৭-০৮ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে তাঁর দ্বৈরথ। টানা বোলিং করা ইশান্ত শর্মাকে অনিল কুম্বলে বলেছিলেন, আরেকটা ওভার করবে। ইশান্ত বলেছিলেন, হ্যাঁ করব। বল হাতে নিয়ে সেই ওভারেই রিকি পন্টিংকে আউট করেছিলেন। ইশান্ত এদিন বলেন, সেই সফরে যখন গিয়েছিলাম তখন আমার বয়স কম ছিল। বেশি কিছু না ভেবে ঘরোয়া ক্রিকেটে যেমন বোলিং করি তেমন করাতেই জোর দিয়েছিলাম। আমি সব সময়ই দলের জয়কে প্রাধান্য দিয়ে থাকি, যতদিন খেলব সেই ভাবনাচিন্তা একই থাকবে। কেরিয়ারে ব্যক্তিগত মাইলস্টোন আসবে, অবসরের পর সেগুলির দিকে তাকানো যাবে। এটা আমার কাছে নম্বর ছাড়া কিছু নয়। আমি নম্বরের জন্য খেলি না, জেতার জন্য খেলি।

তিন ফরম্যাটই পছন্দের

তিন ফরম্যাটই পছন্দের

সীমিত ওভারের ক্রিকেট কম খেলাতেই কি শততম টেস্ট খেলা সম্ভব হচ্ছে, এই প্রশ্নের উত্তরে ইশান্ত বলেন, একজন ক্রিকেটারের কাজ হচ্ছে খেলা। আমি সাদা বলের ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসি। সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলা বা না খেলা আমার টেস্ট ম্যাচে বোলিংয়ে প্রভাব ফেলে না। কত ম্যাচ খেলেছি সেটাই আমার কাছে বড়। আমি এটা কখনোই ভাবিনি যে তিন ফরম্যাটে খেললে একশোটা টেস্ট খেলতে পারব না। যদি তাতে আরও একটু দেরি হতো অসুবিধা ছিল না, একশোটা টেস্ট খেলতামই। ইশান্ত মনে করেন, তাঁর পর জশপ্রীত বুমরাহ দেশের হয়ে বহু ম্যাচ খেলবেন। নভদীপ সাইনি ও মহম্মদ সিরাজকে নিয়ে তিনি বলেন, সাইনির পেস ভালো। সিরাজের কন্ট্রোল আছে। তাঁদের শক্তি বুঝে ব্যবহার করা উচিত।

অধিনায়ক কী চাইছেন সেটা বোঝাই আসল

অধিনায়ক কী চাইছেন সেটা বোঝাই আসল

অনেকের অধিনায়কত্বেই খেলেছেন। তবে ইশান্ত বলতে চাইলেন না কার অধিনায়কত্বে তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করতেন। বরং বললেন, এটা বোঝা খুব কঠিন কোন অধিনায়ক আমাকে বেশি বোঝেন। অধিনায়ক আমার কাছে কী চাইছেন তা বুঝতে পারলেই কাজটা সহজ হয়ে যায়। আমি সামনের ম্যাচ নিয়েই ভাবি। পরে কী হবে তা নিয়ে বিশেষ ভাবি না। নিজের শরীর কেমন আছে, কী ধরনের ট্রেনিং দরকার সেটা এখন ভালোই বুঝতে পারি। রিকভারি প্রসেসে গুরুত্ব দিই। এখনও সব কিছু ঠিকঠাকই চলছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+