৪ঠা জুন নতুন ইতিহাস লেখা হবে! বারুইপুরের সভা থেকে সিপিআইএম-তৃণমূলকে গণতন্ত্র বিরোধী বলে আক্রমণ মোদীর
Lok Sabha Election 2024: অশোকনদরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী তৃণমূলের সঙ্গে সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের নাম নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে বারুইপুরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী তৃণমূলের সঙ্গে নিলেন সিপিআইএমের নাম। তিনি অভিযোগ করেন সিপিআইএম এবং তৃণমূল গণতন্ত্র বিরোধী।
যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং দক্ষিণ কলকাতার দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে করা বারুইপুরের সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূলকে সাহায্য করতে দাঁড়িয়েছে সিপিআইএম। তিনি বলেন, সিপিআইএমকে ভোট দিলে তা তৃণমূলেই চলে যাবে।

চার জুন নতুন ইতিহাস
প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন বারুইপুরে বলেছেন, চার জুন নতুন ইতিহাস লেখা হবে, এবার চারশো পার করে। তৃণমূল ও ইন্ডিয়া জোটের দুর্গ ধসে যাবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিকশিত বাংলা থেকে বিকশিত ভারতের সংকল্প পূরণ হবে। তিনি দাবি করেন, গত দশ বছরে সারা দেশে উন্নয়নের অভূতপূর্ণ কাজ হয়েছে। স্কুল-কলেজ তৈরির সঙ্গে দেশের কুড়িটি শহরে মেট্রো পরিষেবা ছড়িয়েছে। কলকাতার মেট্রো পরিষেবাও ছড়িয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, টুরিজম ও টেক্সটাইলের গ্লোবাল হাবের পথে এগিয়ে চলেছে দেশ। তিনি দাবি করেন, বিজেপি মানুষের প্রত্যাশা বোঝে।
তৃণমূলকে নিশানা
প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসক তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, নিজেদের দোকান চালু রাখতে তৃণমূল মানুষকে গরিব বানিয়ে রাখতে চায়। তিনি বলেন, ওরা শুধু নিজেদের ভোটব্যাঙ্কের জন্য কাজ করে। বারুইপুরের সভাতেই প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের ওবিসি তালিকা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তৃণমূল সেখানে সেখানে ৭৭ টি মুসলিম গোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করেছে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে। আর মুসলিম ভোটারদের খুশি করতে বলছে হাইকোর্টের নির্দেস মাানবে না।
তিনি বলেন, বাংলায় সুশাসন দূরবীন কিংবা মাইক্রোস্কোপে দেখা যায় না। তিনি বলেন, বাংলায় মাফিয়াদের জমি দেওয়া হচ্ছে। বাংলার উন্নয়নে তৃণমূলই বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে কেন্দ্রের কাজ দেখেই পদ্মে ভোট দিন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখে এদিন উঠে এসেছে সিএএ প্রসঙ্গ। তিনি বলেছেন, তৃণমূল সিএএ নিয়ে সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। সিএএ নাগরিকত্ব কাড়ার আইন নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন।
বাংলার পুরনো গৌরব ফেরাতে হবে
প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, বাংলার পুরনো গৌরব ফেরাতে হবে। তিনি দাবি করেন, বিজেপি কর্মসংস্থানের নতুন অধ্যায় আনবে। তিনি সভায় অনির্বান গাঙ্গুলি এবং দেবশ্রী চৌধুরীর প্রশংসা করেন। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে তিনি ভাষণ শেষ করেন।












Click it and Unblock the Notifications