Inflation in India: নিম্নগামী মুদ্রাস্ফীতি! ভোটের মুখে মোদী সরকারকে স্বস্তি দিলেও চিন্তা খাদ্যদ্রব্য নিয়ে
Inflation in India: ভোটের মুখে কমল খুচরো মুদ্রাস্ফীতি। জানুয়ারিতে ৫.১০ শতাংশ থেকে ফেব্রুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি কমে হয়েছে ৫.০৯ শতাংশ। ২০২৩-এর ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল ৬.৪৪ শতাঁশ। তবে বাজারের পূর্বাভাস ছিল ৫.০২ শতাংশ। তবে জানুয়ারির ৮.৩ শতাংশের তুলনায় খাদ্য দ্রব্যে মুদ্রাস্ফীতি ফেব্রুয়ারিতে বেড়ে হয়েছে ৮.৬৬ শতাংশ।
খুচরো মুদ্রাস্ফীতি ২ থেকে ৬ শতাংশের বাধ্যতামূলক ব্যান্ডের মদ্যে থাকা সত্ত্বেও, খাদ্যে মুদ্রাস্ফীতি নীতিনির্ধারকদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। খাদ্য ও শক্তির বাইরে মূল মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারির থেকে কমেছে ফেব্রুয়ারিতে। জানুয়ারিতে যা ছিল ৩.৬ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে হয়েছে ৩.৩ শতাংশ। এটি ২০১২ সালের পথ থেকে সর্বনিম্ন।

উল্লেখ করা প্রয়োজন, এই হার এখনও আরবিআই-এর মধ্য মেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা চার শতাংশের ওপরে রয়েছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক যা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এব্যাপারে আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ৬-৮ মুদ্রানীতি কমিটির সভার কার্যবিবরণীতে এব্যাপারে উল্লেখ করেছিলেন।
গত আট ফেব্রুয়ারি আরবিআই একটানা ষষ্ঠ ত্রৈমাসিকের জন্য রেপোরেট অপরিবর্তিত অর্থাৎ ৬.৫ শতাংশে রেখেছিল। যদিও দেশে সুদের হার গত আট বছরে সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, অর্থনীতির প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে খাদ্যে মুদ্রাস্ফীতি একটি গ্রহণযোগ্য স্তরে নামে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন তাঁরা আশা করছেন মুদ্রাস্ফীতি মোটামুটি ৪.৫-৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে আগামী অর্থবর্ষে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ভারতের শিল্প উৎপাদন বেড়েছে ৩.৮ শতাংশ হারে। তবে বিশ্লেষকরা যার অনুমান করেছিলেন ৪.১ শতাংশের মতো।












Click it and Unblock the Notifications