এই রাশিগুলির জাতক জাতিকারা চরম ঈর্ষাকাতর হন! কী বলছে রাশিফল
বিভিন্ন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের গুণাগুণ থাকে। তবে সব ক্ষেত্রেই যে সেই গুণাগুণ তাঁর কর্মফলের হাত ধরে আসে, তা নয়। জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, কিছু গুণ বা দোষ মানুষ নিজের সঙ্গে নিয়ে জন্মায়। সেই দোষ বা গুণকে শত চেষ্টা করেও স্তব্ধ করতে পারে না সে। এমনই মনুষ্য চরিত্রের একটি দিক হল ঈর্ষা। বেশ কয়েকটি রাশি রয়েছে যার জাতক জাতিকারা ঈর্ষাপরায়ণ হন। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু রাশি।

মেষ
মেষ রাশির জাতকরা মনে মনে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন অন্য কেউ ছুঁয়ে ফেললেই জন্মাতে থাকে ঈর্ষা। এই স্বপ্ন ছোঁয়ার দৌড়ে যদি আশপাশের কোনও ব্যক্তি নাও থাকেন, অনেক দূরের কোনও অচেনা মানুষও থাকেন, তাহলেই তাঁর বিষয়ে জানতে পারলেও এঁরা ঈর্ষাপরায়ণ হন বলে দাবি জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনায়।

কর্কট
পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের ঈর্ষার বিষয়টি। সম্পর্কের খতিয়ান থেকে কর্কট রাশির জাতক জাতিকারা অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা টেনে ঈর্ষায় মশগুল হতে থাকেন বলে দাবি করছে জ্যোতিষশাস্ত্র।

সিংহ
কেউ এঁদের থেকে লাইমলাইট কেড়ে নিলে এঁরা বেজায় ক্ষুব্ধ হন। ফলে জনপ্রিয়তা ইস্যুতে শুরু হয়ে যায় সিংহ রাশির জাতক জাতিকাদের ঈর্ষাপরায়ণতা। এঁদের স্তূতি না গাইলেই সমস্যা আরও বাড়ে! বলছেন বহু জ্যোতিষবিদ। ফলে সিংহ রাশির জাতক জাতিকারা যে ঈর্ষাপরায়ণ তা বলাই বহুল্য। এমনই দাবি জ্যোতি, গণনার।

বৃশ্চিক
হিংসুটে মনোভাব অনেকক্ষেত্রেই বিলাসিতা হয়ে ওঠে। অন্যের থেকে বিভিন্ন রকমের আশঙ্কা অনেক সময়ই মানুষের মনে আতঙ্কের জন্ম দেয়। এই আতঙ্ক আর আশঙ্কার মধ্যেই বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকারা মনের মধ্যে অজান্তে পালন করেন ঈর্ষা। এমন দাবি জ্যোতিষশাস্ত্রের। ফলে এই রাশিটিও 'হিংসুটে' দের তালিকায় এল বলেই দাবি জ্যোতিষ গণনার।












Click it and Unblock the Notifications