যোগিনী একাদশীতে করুন এই সামান্য উপায়, হবে সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে যাবে জীবন

যোগিনী একাদশীতে করুন এই সামান্য উপায়, হবে সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে যাবে জীবন

আষাঢ় কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় যোগিনী একাদশী। ২৪ জুন শুক্রবার রাত ১১টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে চলেছে এই বিশেষ দিন। আর সেখানে এই একাদশী তিথি থেকেই সকলে খুলে ফেলতে পারেন নিজদের বন্ধ ভাগ্যের দরজা। এই দৃষ্টিকোণ থেকেই যোগিনী একাদশীর উপবাস রাখা খুব ভালো বলে মনে করা হয়। এই সময় যদি ত্বকের কোনও সমস্যা থাকে বা কেউ যদি ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হন বা বাধ্য হয়ে কখনও অশ্বত্থ গাছ কেটে ফেলতে হয়, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে যোগিনী একাদশীর উপবাস জন্য খুবই উপকারী হবে। এই যোগিনী একাদশী উপবাস পালন করলে অনেক ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

যোগিনী একাদশীর উপবাস ও ব্রত

যোগিনী একাদশীর উপবাস ও ব্রত

আষাঢ় কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে এই যোগিনী একাদশী পালিত হয়ে থাকে। এই দিনে ভগবান বিষ্ণুর পুণ্ডরীকাক্ষ রূপের এবং শ্রী কৃষ্ণের পূজা করার বিধান রয়েছে। যোগিনী একাদশীর উপবাসে অন্যান্য রোগের পাশাপাশি কুষ্ঠরোগও দূর হয়। কেউ যদি জেনে বা নিজের অজান্তে অশ্বত্থ গাছ কেটে ফেলেন, সেক্ষেত্রে সেই দোষও দূর হয়। একাদশীর পর দ্বাদশী তিথির দ্বিতীয় দিনে ইষ্ট দেবতা, ভগবান পুণ্ডরীকাক্ষ এবং ভগবান বিষ্ণুর প্রার্থনা করে উপবাস ভাঙতে হয়। এই ব্রত নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই সমান ভাবে উপকারী।

একাদশীর উপবাসের পুণ্যফল

একাদশীর উপবাসের পুণ্যফল

একাদশীর উপবাসের পুণ্যের সমান অন্য কোনও পুণ্যকে বিবেচনা করা হয় না। সূর্যগ্রহণের সময় দান করলে যে পুণ্য পাওয়া যায় একাদশীর উপবাস ব্রতে তার থেকে বহুগুণ বেশি পুণ্য সঞ্চয় করা যায়। বিষ্ণু পুরাণে বলা হয়েছে যে গরু দান, স্বর্ণ দান এবং অশ্বমেধ যজ্ঞ করার চেয়ে একাদশীর উপবাসে বেশি পুণ্য পাওয়া যায়। পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে যে যারা একাদশী পালন করেন তাঁদের পূর্বপুরুষরা পাপ মুক্ত হন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাঁদের সুখ ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ করেন। ঘরে শান্তি ও সুখ আছে।

একাদশীর দিন বিশেষ প্রতিকার

একাদশীর দিন বিশেষ প্রতিকার

এটা বিশ্বাস করা হয় যে একাদশীর উপবাস নিঃসন্তানদের কোল পূর্ণ করে। আপনার যশ-খ্যাতি বৃদ্ধি পায় এবং জীবন সুখী হয়। পৌরাণিক কথায় বলা হয়েছে যে, প্রাচীনকালে রাজা নহুষ, অম্বরীশ প্রমুখ যারা একাদশীর উপবাস করেছিলেন, তারা এই পৃথিবীর সমস্ত ঐশ্বর্য লাভ করেছিলেন। একাদশীর উপবাসের মহিমা বর্ণনা করে স্বয়ং ভগবান শিব নারদকে বলেছিলেন যে একাদশীর উপবাস করলে মানুষের সাত জন্মের পাপ বিনষ্ট হয়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। একাদশীর উপবাস, গরু দান প্রভৃতির ফলে অনন্ত কালের পুণ্য লাভ হয়। একাদশীর উপবাস না করলেও ঘির প্রদীপ জ্বালিয়ে বিষ্ণু সহস্ত্র নাম পাঠ করুন। এতে করে ঘরে কলহ থাকলে তা দূর হবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। বৃদ্ধ, শিশু এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা একাদশীর উপবাস না করলেও তাদের ভাত ত্যাগ করা উচিত। একাদশীর দিন যে ভাত খায় তার পোকামাকড় খাওয়ার পাপ হয়।

(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+