Tap to Read ➤

মঙ্গলে গান গাইলে, জানেন কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে আপনার আওয়াজ

মঙ্গল গ্রহের সংগীতের সুর পৃথিবীর থেকে আলাদা, গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য।
রোভার এবং একটি ছোট হেলিকপ্টার মঙ্গল গ্রহের তথ্যানুসন্ধান করছে নিরন্তর।
লাল গ্রহে গভীর নীরবতা বিরাজ করছে, সাউন্ড রেকর্ডিং বিশ্লেষণে জেনেছেন গবেষকরা।
মঙ্গল গ্রহটি কীভাবে বিবর্তিত হয়েছিল এবং সেখানে কি প্রাণের অস্তিত্ব কখনও ছিল?
পৃথিবীর তুলনায় লাল গ্রহে শব্দের গতি কম, সাউন্ড রেকর্ডিং বিশ্লেষণে দেখা যায় এই তথ্য।
মঙ্গল গ্রহের শব্দগুলি জাজিরো ক্রেটারে রোভার দ্বারা রেকর্ড করা হয়েছিল।
রোভারটি যান্ত্রিক শব্দ এবং মঙ্গলের বাতাসের শব্দ রেকর্ড করে চলেছে।
মঙ্গলে রোটারের ঘূর্ণি, হেলিকপ্টার, রক-জ্যাপিং লেজারের ক্র্যাকিং স্ট্রাইকও রেকর্ড হয়েছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এখন মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা এই শব্দগুলির নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু করেছেন।
নেচার জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, এই প্রযুক্তি আগে কখনও মঙ্গলে ব্যবহার করিনি।
টুলুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্পদার্থবিদ সিলভেস্ট্রে মরিস গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক
মঙ্গল গ্রহে গবেষণায় রোভারটি এখন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিচ্ছিন্ন বিশ্বে রয়েছে।
মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ভবিষ্যতে পৃথিবীতে ফিরে আসবে রোভারটি।
মাইক্রোফোন দিয়ে সজ্জিত একটি সুপারক্যাম রয়েছে রোভারের মাস্টের মাথায়।
প্রতি মিনিটে ২৫০০ রেভল্যুশনে ঘূর্ণায়মান হেলিকপ্টার থেকে আসা ধ্বনিতত্ত্বও বিশ্লেষণ।
পৃথিবীতে শব্দগুলি সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৩৪৩ মিটার গতিতে ভ্রমণ করে।
মঙ্গলে শব্দগুলি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৪০ মিটার, উচ্চৈস্বর হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫০ মিটার।
 পৃথিবীতে ৬৫ মিটার দূর পর্যন্ত শব্দ পৌঁছতে পারে। মঙ্গলে মাত্র ৮ মিটার।