Travel: খড়খড়ির জানলা, কড়িকাঠের সিলিং আর কাঠের পালঙ্কে, রাজকীয় ছুটি কাটাতে চাইলে চলে আসুন এই জায়গায়
সপ্তাহান্তের দুদিন ছুটি। হাতে গোনা সময়। কাজেই কলকাতার কাছে পিঠেই বেড়াতে হবে। দিঘা যাওয়া যাবে না। একে তো ভিড়ে ঠাসা তার উপরে হোটেল ভাড়া আগুন। পাহাড়-সমুদ্রের বাইরে যাঁরা একটু অন্যরকম ভাবে কাটাতে চান দিন তাঁদের জন্য সেরা এই জায়গা।
পঁচেটগড়। কলকাতা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার দূরে পূর্ব মেদিনীপুরের একটি অনামী জায়গা পঁচেটগড়। অনেকেই জানেন না এই জায়গার কথা। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর ব্লকের মধ্যে পড়ে পঁচেটগড়। অনেকেই মনে করছেন এখানে দেখার কি আছে। এই পঁচেটগড়ে রয়েছে একটি রাজবাড়ি। আসলে এটি পঁচেটগড়ের জমিদার বাড়ি। কিন্তু ছোটখাট একটি প্রাসাদের চেয়ে কোনও অংশে কম নয়।

সেই পুরনো দিনের খিলানের বারান্দা, কড়িকাঠের ছাদ আর খড়খড়ি দেওয়া জানলা। দেখে মনে বলে সেই বাবুয়ানি জমানায় চলে গিয়েছেন। দিঘা থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৭০ কিলোমিটার। জমিদারবাড়িটি ২০১৮ সালে হেরিটেজ তকমা পেয়েছে। তারপর থেকে এখানে পর্যটকদের বসবাসের মতো আয়োজন করা হয়েছে। অর্থাৎ পর্যটকরা চাইলে এখানে থাকতে পারেন।
এই জমিদারবাড়ির ঠাকুরদালানে এখনও দুর্গাপুজো হয়। গ্রামের লোকেরা দেখতে আসেন ঠাকুর। এই জমিদারবাড়ির জলসাঘরে এখনও রয়েছে যদুভট্টের সেতার এবং গানের খাতা। প্রতিবছর ঘটা করে এখানে রাসমেলা হয়। যেখানে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয়। এখােন রাত্রি যাপন করতে হলে অনলাইনে বুকিং করতে হয় তাহলে এই জমিদার বাড়িতে থাকা যায়। রাজার মেজাজে আর রাজার হালে যদি সপ্তাহান্তের ছুটিটা কাটাতে চান তাহলে চলে আসতে পারেন এই পঁচেটগড় রাজবাড়িতে।
এখানে পায়ে হেঁটে গোটা গ্রামটা ঘুরে আসতে পারেন। পঁচেটগড় রাজবাড়ির রাজমঞ্চে এখনও প্রতিদিন পুজো হয়। গ্রামেই রয়েছে পঁচেটগড়ের জমিদারদের তৈরি শীতলামন্দির। ওড়িশার নিবাসী ছিলেন রাজবাড়ির প্রতিষ্ঠীতা। ওড়িশা বাংলা বিহারের তালুকদার ছিলেন এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠীতা।












Click it and Unblock the Notifications