Travel: গরমে পাহাড়ের কোলে হ্রদে গা ডুবিয়ে থাকতে চান, চলে আসুন পাহাড়ের এই গ্রামে
বর্ষা তো দূপর অস্ত ছিঁটে ফোঁটা বৃষ্টিরও দেখা মিলছে না। গরমে নাভিশ্বাস দশা। জৈষ্ঠ্যের গরম বুঝিয়ে দিচ্ছে হারে হারে। এই অবস্থয়া কটা দিন একটু পাহাড়ে হিমেল হাওয়ার পরশ নিয়ে যদি আসতে পারেন তাহলে মন্দ হয় না। কিন্তু কোথায় যাবেন। সেখানে যদি ন্যাচেরাল সুইমিং পুল থাকে তাহলে তো কথায় নেই।
এমনই একটি ড্রিমল্যান্ড হল উত্তরবঙ্গের মুডুং খোলা। শিলিগুড়ি থেকে এর দূরত্ব খুব বেশি দূরে নয়। সেকারণে খুব বেশি খরচও করতে হবে না। জায়গাটি কালিম্পং জেলার মধ্যে পড়ে। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা না মিললেও জায়গাটি বেশ অ্যাডভেঞ্চারাস। যাঁরা পাহাড়ে একটু অ্যাডভেঞ্চার করতে ভালবাসেন তাঁদের পক্ষে আদর্শ জায়গা এটি।

গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যেতে হবে বেশ খানিকটা পথ। পুডুংখোলা নদীর পার দিয়ে গিয়েছে রাস্তা। একদিকে নদী অন্যদিকে জঙ্গল আর মাঝে পাকদণ্ডির রাস্তা। সে এক অদ্ভুত অ্যাডভেঞ্চার। তারপরে যে জায়গায় পৌঁছবেন সেই জায়গাটির নাম পুডুং খোলা । কোনও ওয়েবসিরিজে পাহাড়ে ঘেরা জায়গা যেমনটা দেখায় এই জায়গাটির সঙ্গে তার মিল পাবেন।
বলতে পারেন একটা হিডন প্লেস এই জায়গাটি। কেবল মাত্র একটি হোমস্টেই রয়েছে এখানে। একেবারে নদীর ধারে রয়েছে হোমস্টেটি। সামনেই বয়ে চলেছে নদী। আবার চাইলে টেন্টেও থাকতে পারবেন। এখানে এলে এক নিমেষে উধাও হয়ে যাবে গরম। দক্ষিণবঙ্গ যেখানে তীব্র দহনে কাবু সেখানে এই জায়গাটি অসাধারণ তাতে কোনও সন্দেহ নেই। রিভার খোলা নদীতে গা ডুবিয়ে একেবারে সুইমিং পুলের মজা নিতে পারেন।
একেবারে অফবিট এই লোকেশনটি শিলিগুড়ি থেকে বেশি দূরে নয়। অনেকটা মনে হবে প্রাইভেট লোকেশনে চলে এসেছেন। তার সঙ্গে পাহাড়ি খানাপিনা সবটাই পাবেন এখানে। কাজেই এই গরম থেকে বাঁচতে একটা ছোট্ট ট্যুর করেই ফেলুন এই রিভার সাইডে। সারাদিন মুডুংখোলা নদীতে হাবুডুবু খেয়ে বিকেলে রিভার বেেড ঘুরতে বেরোন মন ভাল হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications