Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Travel: বর্ষা মানেই যে কেবল সমুদ্র মনোরম তা নয়, কলকাতার কাছে এই নদীর পাড়ে ঘুরে যান

অবশেষে বর্ষা এসেছে রাজ্যে। শুরু হয়েছে বর্ষার বৃষ্টি। গরমের ধাক্কা থেকে সাময়িক হলেও রেহাই পেয়েছেন দক্ষিনবঙ্গের বাসিন্দারা। এই বর্ষায় সমুদ্রেই সবচেে বেশি ভিড় করেন পর্যটকরা। সেকারণে আগামী তিন মাস দিঘা-মন্দারমনি- শঙ্করপুরে হোটেল পাওয়া যায় না।

আর সপ্তাহান্তে তো সৈকতে মেলার মতো ভিড়। গাড়ি নিয়ে চলে যান অনেকে। সেই ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন নদীর পাড়ে। বর্ষায় উচ্ছ্বলা হয়ে ওঠে নদী। দুই কূল ভরে একেবারে যৌবনবতী হয়ে ওঠে নদী। এই সময় নদীর পাড়ের সৌন্দর্য অন্যরকম। ঠিক যেমন পাহাড় এই সময় যেমন ভয়ঙ্কর তেমন সুন্দরী। নদীর পাড়ের সৌন্দর্যও সেই রকম হয়ে ওঠে।

Travel

এই সময় চলে আসুন পশ্চিমের েজলার একটি অফবিট লোকেশন বড়দি পাহাড়ে। কংসাবতী নদীর পাড়ে এই জায়গা বর্ষায় সম্মোহন জাগায়। ভরা কংসাবতীর উপরে মেঘেদের আনাগোনা দেখতে অসাধারণ লাগে। স্থানীয়রা এই জায়গাকে পাহাড় বললেও উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে এটি একটি সামান্য টিলা মাত্রা। কিন্তু আমাদের রাঢ়বাংলার মানুষের কাছে এটাই পাহাড়।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা মাত্র চারশো ফুট। আর কংসাবতীর নদীর পাড় থেকে এই টিলার উপর উঠতে হলে মাত্র দেড়শো ফুট উঠলেই হল। এই টিলার মাথায় রয়েছে একটি শিবমন্দির। এখানে পুজোর ধুম নেই বললেই চলে। বছরের বিশেষ কয়েকটি দিনেই পুজো পান শিবশম্ভু। পাহাড়ের মাথায় কিন্তু সুন্দর একটা শালবন রয়েছে। যেখান থেকে কংসাবতীকে আরও রূপসী দেখায়।

নদীর পাড়েই রয়েছে থাকার জায়গা। এখনও েতমন বর্ষা শুরু হয়নি। কংসাবতীতে এখনও বালির চড় দেখা যাচ্ছে। সেখানে গা ভিজিয়ে স্নান করতে পারবেন। গ্রামের মানুষরা বলেন এই পাহাড়ের কাছেই যে গ্রামটি রয়েছে সেই গ্রামটির নাম বড়দি। সেকারণেই এই পাহাড়ের নাম হয়েছে বড়দি পাহা়ড়। অন্যদিকে এই নামের সঙ্গে আবার চুয়াড় বিদ্রোহের কাহিনী জড়িয়ে রয়েছে। চুয়াড় বিদ্রোহের নেতা দুর্জন সিং নাকি ব্রিটিশদের হাত থেকে বাঁচতে এই পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই গ্রামে ছিল তাঁর বড়দির বাড়ি। সেই বড়দিদির আশ্রয় থেকেই নাম হয়েছে বড়দি পাহাড়।

কলকাতা থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই জায়গাটি। কলকাতা থেক ২১০ কিলোমিটার দূরে। বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম অথবা বিষ্ণুপুর থেকে আসা যায়। বাঁকুড়া শহর থেকে এই জায়গার দূরত্ব ৫৪ কিলোমিটার। গাড়িতে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায়। আর বিষ্ণুপুর থেকে এই জায়গার দূরত্ব ৬২ কিলোমিটার। গাড়িতে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় লাগে। অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম থেকে এই জায়গার দূরত্ব ৬৭ কিলোমিটার। কাজেই ট্রেনে যেকোনও একটা জায়গায় পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িতে পৌঁছে যাওয়া যায়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+