• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

হ্যালিডে থেকে লোথিয়ানের জীব বৈচিত্র, অজানা সুন্দরবন হাতছানি দেবে বারবার

সৌন্দর্য্যের স্বাদ নিতে বেরিয়ে পড়ার আগে সুন্দরবন সম্পর্কে জেনে নেওয়াটা আবশ্যক বইকি! বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে হাতে পৌঁছল স্থানীয় লেখকদের কিছু পুস্তক। সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতরের সাইট ঘেঁটে জানা গেল যে দুই বাংলা মিলিয়ে সুন্দরবনের জনসংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষ। তবে তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই অস্থায়ী বলেও জানা যায়। তবু দেশের অগ্রগতির ক্ষেত্রে সুন্দরবনের গুরুত্ব যে ব্যাপক, তা কিন্তু বলা যায়।

অর্থনীতি

অর্থনীতি

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মতোই ভারতীয় অর্থনীতির অগ্রগতিতে সুন্দরবনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বন দফতর ও স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে এই এলাকা ভারতের বনজ সম্পদের (কাঠ, মধু, মোম, জ্বালানি, কাগজ) অন্যতম বৃহত্তম উৎস। ব্যক্তিগত ও বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রাকৃতিক সম্পদের সিংহভাগ ধ্বংস হলেও, সুন্দরবনে এখনও ৭০ শতাংশ বনভূমি মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে জানাচ্ছে সমীক্ষা। সেসব তথ্যে মস্তিষ্ক পূর্ণ করে জলপথে পাড়ি দেওয়া যায় অজানার উদ্দেশে।

সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান

সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান

গঙ্গার দ্বীপ এবং বাংলাদেশ সংলগ্ন এ বাংলার সুন্দরবনের পশ্চিম অংশে রয়েছে সুবিশাল জাতীয় উদ্যান বা ন্যাশনাল পার্ক। যা ব্যাঘ্র ও অন্যান্য জীবমন্ডল সংরক্ষণের জন্য পরিচিত। ঘন ম্যানগ্রোভে ঘেরা এই স্থান অন্যতম বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ স্থানও বটে। ১৯৮৪ সালের ৪ মে এই এলাকা জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষিত হয়। কপাল ভালো থাকলে নৌকা থেকে দেখা পাওয়া যেতে পারে দক্ষিণরায়ের। কখনও সখনও নদীতে জল খেতে বা স্নান করতে আসে তারা। অন্যদিকে নদীর লবণাক্ত দলে কুমীরের পাশাপাশি নানা প্রজাতির মাছও দেখা যায়।

সজনেখালি অভয়ারণ্য ও ওয়াচ-টাওয়ার

সজনেখালি অভয়ারণ্য ও ওয়াচ-টাওয়ার

সুন্দরবনের অন্তর্গত দক্ষিণ ২৪ পরগণার সজনেখালির বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যের আয়তন ৩৬২ বর্গ কিলোমিটার। জঙ্গলের মধ্যে তৈরি করা সুবিশাল ও উঁচু ওয়াচ-টাওয়ার থেকে বন্যপ্রাণ নজরে পড়ে হুবহু। বনবিবির মন্দির, ম্যানগ্রোভ ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার এই অভয়ারণ্যের অন্যতম আকর্ষণ। এই জঙ্গলে রঙ-বেরঙের পাখি দেখতে আসেন বহু পর্যটক। ১৯৬০ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এটিকে অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করে।

হ্যালিডে দ্বীপ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

হ্যালিডে দ্বীপ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

মাতলা নদীর মুখে ৬ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বনাঞ্চল সুন্দরবনের বায়োস্পিয়ার সংরক্ষণের অন্যতম নিদর্শন। ১৯৭৬ ও ১৯৮৯ সালে এই এলাকাকে জাতীয় অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা সরকার।

লোথিয়ান দ্বীপ

লোথিয়ান দ্বীপ

বঙ্গোপসাগরের কাছে সপ্তমুখী নদীর মোহনায় অবস্থিত লোথিয়ান দ্বীপ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। ১৯৪৮ সালে বনাঞ্চলটি অভয়ারণ্য হিসেবে প্রথমবার বিজ্ঞাপিত হয়। ১৯৭৬ সালে তা পুনরায় ঘোষিত হয়।

অন্যান্য স্থান

অন্যান্য স্থান

একই সঙ্গে ভগতবতপুর কুমীর সংরক্ষণ প্রকল্প, নেটিধোপানি ও দো-বাঁকির ওয়াচ টাওয়ার সুন্দরবনে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। দো-বাঁকির ওয়াচ টাওয়ার থেকে রয়্যাল বেঙ্গাল টাইগার নজরে পড়ে অহরহ।

(শেষ কিস্তি)

English summary
Sundarban is the major attraction of East and West Bengal
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X