Mongpong: তিস্তার পাড়ে সেবক পাহাড়, বেড়িয়ে আসুন কালিম্পংয়ের এই অফবিট ডেস্টিনেশন থেকে
শিলিগুড়ির কােছ ছোট্ট একটা গ্রাম। খুব বেশি হলে সেখানে পৌঁছতে ১ থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পৌঁেছ যাওয়া যায়। গ্রামের একদিকে রয়েছে তিস্তা আর আগের দিকে রয়েছে সেবক পাহাড়। সেবক পাহাড় দার্জিলিং জেলার মধ্যে পড়লেও তিস্তা কিন্তু উল্টো দিকের জঙ্গল কিন্তু কালিম্পং জেলার মধ্যে পড়ে।
আর এই জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে পর্যটন দফতরের ইকো রিসর্ট। ঘর থেকে জানলার পর্দা সরালেই দেখা যায় দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড় আর তিস্তার অবিরাম বয়ে যাওয়া। সবুজের ছড়াছড়ি। বর্ষায় তিস্তা ফুলে ফেঁপে ওঠে। পুজোর সময় এই জায়গাটি আরও মনোরম হয়ে ওঠে।

জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। রয়েছে খোলা আকাশের নীচে রয়েছে একাধিক জায়গা যেখানে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই মংপংয়ের কাছেই রয়েছে মানজিং। চা বাগানের ভিঁড়ে এখানে হািরয়ে যায়। শিলিগুড়ি থেকে লুংসেল ঝাণ্ডি যাওয়ার পথে পড়ে এই গ্রামটি। ছোট্ট হলেও অসাধারণ একটি জায়গা।
এখান থেকে শিলিগুড়ির বিস্তীর্ণ ছবি পাওয়া যায়। মানজিং ভিউ পয়েন্টে থেকে অসাধারণ লাগে পাহাড় এবং সমতলের মেলবন্ধন। লোয়ার মানজিং ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম। যেখানে চা শ্রমিকদের বাস। একটু দূরেই রয়েছে আপার মানজিং। সেই আপার মানজিং হয়ে লুংসেল ঝাণ্ডি চলে যাওয়া যায়।

গ্রাম জুড়ে ভুট্টার ক্ষেত চোখে পড়ে। এখানকার মানুষ গ্রামেই চাষ করা সবজি খেয়ে থাকে। শিলিগুড়ি থেকে একদিনেই এখানে ঘুরে আসা যায়। যাঁরা পাহাড়ে উঠতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন তাঁদের জন্য এই দুটি জায়গা সবচেয়ে সুন্দর। একেবারে পাহাড়ের উচ্চতাও নয় আবার একেবারে সমতলও নয়। পাহাড়ের পাদদেশে থাকা ছিমছাম দুটি জায়গা।












Click it and Unblock the Notifications