• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

সপ্তাহান্তের ছুটিতে ঘুরে আসুন মহিষাদল রাজবাড়ি, রাজকীয় আমেজে ছুটির কটা দিন মন্দ লাগবে না

Google Oneindia Bengali News

সপ্তাহান্তের ছুটিতে কাছে পিঠের জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার ট্রেন্ড ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। সময় সুযোগ পেলেই ঘরের কাছের কোনও জায়গা বেড়িয়ে আসতে চান সকলে। এমনই একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মহিষাদল রাজবাড়ি। সপ্তাহান্তের ছোট্ট ছুটিতে অনায়াসেই সকলে ঘুরে আসতে পারেন। কেমন করে থাকতেন রাজরাজারা তার একটা ধারনা পাওয়া যাবে এখানে এলে।

মহিষাদল রাজবাড়ি

মহিষাদল রাজবাড়ি

একাধিক রাজবাড়ি এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ইটাচুনা রাজবাড়ি, বাওয়ালি রাজবাড়ি থেকে শুরু করে মহিষাদল রাজবাড়ি। সবই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে রাজকীয় মেজাজে পর্যটকদের থাকার সব বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রাচীন আমলের দরদালান থেকে শুরু করে রাজার পালঙ্ক সেই আদলেই সাজানো হয়েছে পর্যটকদের ঘরগুলি। তার সঙ্গে খাবারের আয়োজন তো রয়েইছে। শ্বেতপাথরের টেবিলে কাঁসার থালা বাসনে খেতে মন্দ লাগবে না।

রাজবাড়ির ইতিহাস

রাজবাড়ির ইতিহাস

সব রাজবাড়িরই নিজস্ব একটা ইতিহাস থাকে। মহিষাদল রাজবাড়িরও একটা ইতিহাস রয়েছে। ষষ্ঠদশ শতকে জনার্দন উপাধ্যায় প্রথম এই রাজবাড়িটি তৈরি করেছিলেন। ক্রমে বংশ পরম্পরায় সেই প্রাসাদ ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করে। মহিষাদল রাজবাড়ি এখনতিনটি প্রাসাদ নিয়ে তৈরি। প্রথম প্রাসাদের নাম রঙ্গিবসান। দ্বিতীয়টির নাম লালকুঠি এবং চতুর্থটির নাম ফুলবাগ। তবে সব রাজবাড়িতে পর্যটদের প্রবেশাধিকার নেই। কেবল মাত্র ফুলবাগেই পর্যটকরা থাকতে দেওয়া হয়। সেই ফুলবাগই একদিনে দেখে শেষ করতে পারেন না পর্যটকরা।

কী রয়েছে এই ফুলবাগ প্রাসাদে

কী রয়েছে এই ফুলবাগ প্রাসাদে

এমনিতেই প্রাসাদ। তার একটা আলাদা আভিজাত্য রয়েছে। চওড়া দালান। কড়িকাঠের সিলিং। কারুকার্য করা দরজা জানলা। তাতে আবার সেই পুরনো দিনের খরখরি দেওয়া জানলা। সেইআভিজাত্য তো রয়েইছে। সেই সঙ্গে রয়েছে িদঘি, পুকুর, কুলদেবতা মদনগোপাল জিউয়ের মন্দির। দুর্গামণ্ডপ। তাতে লাগানো ঝাড়বাতি। রয়েছে একটা বিশাল কামান। আগে নাকি দুর্গাপুজোর সময় এই কামান দাগা হত। এখন আর সেসব হয় না। এই রাজবাড়িতেই আবার রয়েছে একটা মিউজিয়াম। অনেকে আবার রাজবাড়ির আশপাশের গ্রামও ঘুরতে বেরোন।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে মহিষাদল রাজবাড়ি যাওয়ার পথ খুবই সোজা। কলকাতা থেকে দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার। গাড়িতে ঘণ্টা দুেয়ক সময় লাগে। গরমের দিনে একটু সকাল সকাল বেরোলে দুপুরে গিয়ে এলাহি আয়োজনে ভুড়ি ভোজ সেরে দিবানিদ্রা দেওয়া যায়। কলকাতা থেকে আসতে হবে বম্বে রোড ধরে। নন্দকুমার মোড় পার করে ৮ কিলোমিটার যেতে হবে। তারপরেই পড়বে কাপাসিরিয়া মোড়। সেখান থেকে ৫ কিলোমিটার গেলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে মহিষাদল রাজবাড়ি। কেউ বাসে আসতে চাইলে কাপাসিরিয়া মোড় থেকে টোটো করেও পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। তবে রাজবাড়িতে থাকতে গেলে আগে থেকে বুকিং করে আসতে হয়।

ছবি সৌ:ইউটিউব

English summary
Tourist spot of West Bengal
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X