কপাল কুণ্ডলার কালী মন্দির কোথায় আছে জানেন, কলকাতার একেবারে কাছেই রয়েছে সেই জায়গা
কপাল কুণ্ডলার কালী মন্দিরের কথা মনে আছে। জানেন কোথায় রয়েছে সেই কালী মন্দির। কলকাতার একেবার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা। চলে আসুন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির কাছে দরিয়াপুরে। সেখানেই রয়েছে কপাল কুণ্ডলার কালী মন্দির।
এখানে আসতে হলে সকাল সকাল হাওড়া স্টেশন থেকে দিঘা যাওয়ার ট্রেনে উঠে পড়ুনষ ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ছাড়ে ট্রেন। সাড়ে ৯টার মধ্যে কাঁথি পৌঁছে যাবেন। সেখান থেকে টোটোতে রূপসা মোড়ে পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে দরিয়াপুর যাওয়ার ট্রেকার পাওয়া যায়। সেখানেই রয়েছে কপালকুণ্ডলা মন্দির। কাঁথি থেকে এই মন্দিরের দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার দূরে।

রাস্তার পাশেই রয়েছে ছোট মন্দির। সেখানেই রয়েছে কালী মন্দির। সকাল এবং সন্ধে দুবেলা পুজো করে যান পুরোহিত। সন্ধে বেলা নিয়ম করে হয় আরতি। যদিও এটি অসল মন্দির নয়। আসল মন্দির রয়েছে আরেকটু ভেতরে। সেখানে রয়েছে সিদ্ধেশ্বর শিব মন্দির ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতি সৌধ।
সিদ্ধেশ্বর শিব মন্দিরটি আটচালার। তাতে রয়েছে স্বয়ম্ভু শিব লিঙ্গ। এটাই বাবা সিদ্ধেশ্বর মহাদেব। মন্দিরটির উল্টো দিকে রয়েছে একটি বিশাল বড়ো বটবৃক্ষ। এই মন্দির চত্বরে অনেক ফুলের গাছ রয়েছে। প্রায় ২০০ বছরের বেশি পুরনো এই মন্দির।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেদিনীপুর জেলার কালেক্টর থাকার সময় এই মন্দিরে এসেছিলেন। তখন নদীর পাড়ে গভীর অরণ্যের ভিতরে ছিল এই মাতৃ মন্দির। তখন এই মন্দিরে ছিল এক ভয়াল দর্শনা কালী বিগ্রহ। মায়ের সেবা দিতেন এক সংসার ত্যাগী তান্ত্রিক। এই সব দৃশ্য দেখার পরেই কপাল কুণ্ডলা উপন্যাস নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিলেন তিনি।
এই কপাল কুণ্ডলা মন্দিরের কাছেই রয়েছে দারুয়া নামে একটি কালী মন্দির আছে। যেটিও কপাল কুণ্ডলা কালী মন্দির নামে পরিচিত। ওটা নাকি একজন কালীভক্ত তার নিজ বাড়িতে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সপ্তাহান্তের ছুটিতে অনায়াসে এখান থেকে বেড়িয়ে আসা যায়।












Click it and Unblock the Notifications