Travel: নীল আকাশ, বরফের স্নিগ্ধতায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতে চান, ঘুরে আসুন এই অফবিট ডেস্টিনেশনে
এপ্রিল মাস আসতে আর বেশি দিন বাকি নেই। এমাসে যদি আপনি ঘুরতে যেতে চান তাহলে এখন থেকেই কিন্তু প্ল্যান শুরু করে দিতে পারেন। যদি আপনার অফবিট ডেস্টিনেশনের প্রতি একটু নেশা বেশি থাকে, তাহলে কিন্তু এই জায়গাতে আপনি যেতেই পারেন।
যদিও হিমাচল প্রদেশে ঘুরতে যেতে কমবেশি সকলেই ভীষণ পছন্দ করেন। গরমকালে একটু ঠান্ডা ঠান্ডা জায়গায় গেলে মন্দ লাগে না। আর হিমাচল প্রদেশের কথা বলে প্রথমেই নাম আসে সিমলা কিংবা মানালির কথা। তবে এখানে কিন্তু এবার অফবিট ডেস্টিনেশনের খোঁজ দেব, যেটি হল স্পিতি ভ্যালি।

কোথায় রয়েছে এই জায়গা
হিমাচল প্রদেশের লাহৌল ও স্পিতি জেলায় অবস্থিত। এই জায়গাটি কিন্তু প্রচন্ড ঠান্ডা। যদি আপনি ঠান্ডা জায়গায় ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন তাহলে অবশ্যই এখানে আসবেন। এই উপত্যকার প্রশাসনিক সদর দপ্তর হল কাজা জেলা দপ্তর। এখান থেকে স্পিতির দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার।
কেমন পরিবেশ
এই উপত্যকার দৃশ্য এতটাই সুন্দর, যে দেখে চোখ ফেরানো দায় হয়ে পড়ে সকলের। এই সবুজ উপত্যকা দেখলে আপনার অন্য কোথাও ঘুরতে যেতে ইচ্ছা করবে না। তাছাড়া এই শান্ত পরিবেশে আপনি কিন্তু আপনার সঙ্গীকে নিয়ে সুন্দরভাবে ঘুরতে পারবেন। এই ঠান্ডা ও পাথুরে জায়গা অত্যন্ত শুষ্ক। আর এখানে নানান ধরনের রঙিন পাথর দেখতে পাবেন। তাছাড়া এখানে এলে এখানকার পাহাড়ের কোলে দাঁড়িয়ে ফটোশুট করতে একদম ভুলবেন না।
থাকার জায়গা
কোথায় থাকবেন স্পিতিতে এসে? এখানে অনেক হোটেল রয়েছে। এখানে কিন্তু খুব কম পয়সাতেই থাকতে পারবেন আপনি। শুধু তাই নয়, হোমস্টেও রয়েছে। যেখানে কিন্তু আপনার সঙ্গীকে নিয়ে আরামে আপনি থাকতে পারবেন। এখানকার গেস্ট হাউসগুলি স্পিতি থেকে এক থেকে পাঁচ কিলোমিটার এর মধ্যেই আপনি পেয়ে যাবেন।
কীভাবে যাবেন
যদি আপনি দিল্লি থেকে স্পিতিতে যেতে চান, তাহলে খুব সহজেই যেতে পারবেন। কারণ প্রথমে আপনাকে মানালির বাস ধরতে হবে। তারপর মানালি থেকে স্পিতি যেতে পারবেন। এখানে রোটাং পাসের মতন জায়গা দিয়ে আপনি যাবেন। আবার মানালি থেকে আপনি সরকারি বাসেও যেতে পারেন। আবার দিল্লি থেকে সিমলা হয়েও স্পিতি যেতে পারবেন আপনি।
ভ্রমণের সেরা সময়
স্পিতি ভ্যালি ঘোরার সেরা সময় গ্রীষ্মকাল। শীতকালে এখানে না যাওয়াই ভালো। গরমকালে গেলে মে থেকে অক্টোবরে যেতে পারেন আবার নভেম্বর থেকে এপ্রিলে স্পিতি উপত্যকায় যেতে পারেন। এখানকার অত্যন্ত ঠান্ডা থাকে। এখানে কিছু রাস্তা তুষারে ঢাকা থাকে। এখানে গেলে অবশ্যই চিচাম সেতু দেখে আসবেন। এই সেতুর বিশেষত্ব হলো এটি দুটি পাহাড়ের মাঝখানে নির্মিত। স্পিতি নদী এবং চন্দ্রতাল হ্রদের তীরে ভ্রমণের রোমাঞ্চই আলাদা। এখানে গিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে চুটিয়ে আনন্দ করতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications