বিগ বসের বাড়িতে অকাল বসন্ত এসে গেছে, রাকেশ–শমিতা কানেকশন মোড় নিচ্ছে অন্যদিকে
রোম্যান্স ছাড়া বিগ বস একেবারে অসম্পূর্ণ। আর বিগ বস ওটিটিতেও ছিক সেরকমটাই দেখা গেল। বিগ বস ওটিটি শুরু হওয়ার সময় প্রত্যেক মেয়ে তাঁর কানেকশনের সঙ্গে বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করেছিলেন। অভিনেত্রী শমিতা শেট্টি তাঁর কানেকশন হিসাবে বেছে নেন অভিনেতা রাকেশ বাপটকে এবং এখনও পর্যন্ত বাড়ির মধ্যে তাঁদের কানেকশন বজায় রয়েছে।

রোম্যান্স শুরু হয়ে গিয়েছে বিগ বসে
তবে এই কানেকশন খুব ধীরগতিতে হলেও অন্য ধরনের সম্পর্কে পরিণত হতে চলেছে। যদিও এই শোয়ের প্রথম সপ্তাহটা মোটেও ভালো ছিল না রাকেশ ও শমিতার জন্য। তবে দু'জনের মধ্যে ভালোবাসার ফুল প্রস্ফুটিত হচ্ছে। রাকেশের চুম্বন দিয়ে শমিতার ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে শমিতার অ্যানজাইটি অ্যাটাকের সময় তাঁর সম্পূর্ণ যত্ন নেওয়া রাকেশের, এই সবকিছুই বোঝাচ্ছে দু'জনের মধ্যেকার রসায়ন গভীর হতে চলেছে। রাকেশ বন্ধু থেকে শমিতার খুব প্রিয় সঙ্গী হয়ে গিয়েছে।

রাকেশ ও শমিতার সম্পর্ক
অনেকসময়ই দেখা গিয়েছে যে রাকেশ শমিতা শেট্টির প্রশংসা করে তাঁর সঙ্গে ফ্লার্টিং করছেন এবং রাকেশের মন্তব্য শোনার পর শমিতা রীতিমতো লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছেন। শুধু বাড়ির সদস্যরাই নন, নেটিজেনদের চোখেও তাঁদের এই জুটি খুব মিষ্টি লাগছে বলে জানিয়েছেন। শমিতা শেট্টির অ্যানজাইটি অ্যাটাকের পরের দিন সকালে রাকেশ তাঁর কাছে যান এবং শমিতা হাতে ছোট্ট করে চুম্বন দিয়ে তাঁকে জাগান। শমিতা ও রাকেশের মধ্যে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। এর আগেও মাঝে মাঝেই শমিতা ও রাকেশকে একে-অপরের হাত ধরে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। যদিও তাঁরা দু'জনের কেউই এটা দাবি করেননি যে তাঁরা একে-অপরকে ভালোবাসেন কিন্তু তাঁদের একসঙ্গে কাটানো সময়, একে-অপরের বিপদে পাশে থাকা দর্শকদের এটা ভাবতে বাধ্য করছে যে তাঁদের দু'জনের রসায়ন সকলের চেয়ে আলাদা।

রাকেশ বাপট শমিতার হার্ট গ্রহণ করেন
এই সপ্তাহে বিগ বস প্রতিযোগীদের নিজেদের কানেকশন নতুন করে তৈরি করার আরও একটি সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু শমিতা পুনরায় তাঁর হার্টের কাট-আউট রাকেশকে দেন। সমিতার হার্ট গ্রহণ করে রাকেশ বলেন, ‘একটা কানেকশন তৈরি হচ্ছে আমাদের। আজ আমাদের কানেকশন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একটা পরিণত বুদ্ধির সঙ্গে আমরা সবকিছুকে দেখছি, একে-অপরের প্রতি বোঝাপড়া রয়েছে। সম্পর্কের অনুভূতি যাকে বলা হয় তা মনে হয় তোমার সঙ্গে ঘটছে আমার।' রাকেশ এরপর এও বলেন, ‘আমি শমিতার এবং শমিতা আমার'। এরপর শমিতা লজ্জায় লাল হয়ে বলেন, ‘এত দীর্ঘ সময় নেওয়ার জন্য তোমায় ঘুষি মারতে চাই।'

নেহা বাসিন ও প্রতীক সহেজপাল রোম্যান্স
শমিতা ও রাকেশের সম্পর্কের পাশাপাশি প্রতীক সহেজপাল ও নেহা বাসিনের মধ্যেও কিছু একটা বিষয় ঘটছে। ইতিমধ্যেই নেহা মিলিন্দের সঙ্গে ও প্রতীক অক্ষরা সিংয়ের সঙ্গে কানেকশন ভেঙে দিয়ে নেহা ও প্রতীক নতুন কানেকশন তৈরি করেছেন। টাস্কের দিন রাতে নেহা ও প্রতীক একে-অপরের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতীক নেহাকে জিজ্ঞাসা করেন তিনি কি তাঁর প্রেমে পড়েছেন। প্রথমে নেহা এই প্রশ্নটি এড়িয়ে গেলেও পরে প্রতীককে তিনি তাঁর অনুভূতির কথা জিজ্ঞাসা করে বসেন। কিন্তু প্রতীক কোনও উত্তর না দিয়েই রান্নাঘরের দিকে চলে যান। এরপর প্রতীক নেহাকে বারংবার এই বিষয় নিয়ে জ্বালাতন করতে থাকেন এবং বলেন, ‘অবশেষে ঘুরে ফিরে তুমি আমার সামনেই দাঁড়িয়ে পড়লে, আমার চোখের দিকে দেখ, প্রেমে পড়ে যাবে।' এরপর হাসতে শুরু করে দেন। নেহা প্রতীকের মন্তব্য শোনার পর একটু লজ্জা পেলেও তিনি বলেন, ‘এটা একতরফা ভালোবাসা। প্রতীক আমায় ভালোববাসে আমি নয়।'


Click it and Unblock the Notifications
