Chandrayaan 3: চাঁদের মাটিতে ঘুমিয়ে থাকা বিক্রম ও প্রজ্ঞান ফের সাড়া দেবে! কোন আশার বাণী শোনালেন ইসরো-প্রধান
চাঁদের মাটিতে নেমে ইতিহাস গড়ার পর ১৪ দিন বহাল তবিয়তে ঘুরে-ফিরেছে ইসরো চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডার ও রোভার। কিন্তু ১৪ দিন পর চাঁদের মাটিতে রাত নামতেই যত বিপত্তি। ল্যান্ঝঢার ও রোভারকে চাঁদে স্লিপ মোডে পাঠানো হয়। এখন চাঁদে দিন নামলেও তাদের ঘুম আর ভাঙছে না।
এই অবস্থায় ইসরোর বিজ্ঞানীরা একেবারে আশা ছাড়তে নারাজ। তারা ফের ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞানকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলার ব্যাপারে সমানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যোগাযোগ স্থাপনের মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরো। ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ প্রত্যয়ের সঙ্গেই জানিয়েছেন, তাঁরা আশাবাদী। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন তাঁরা।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। ওইদিনই চাঁদের মাটিতে পুরোপুরি দিনের আলো ছড়িয়ে পড়ে। রোদের ফলে বিক্রম ও প্রজ্ঞানের সোলার প্যানেল ফের সক্রিয় হয়ে ওঠারই কথা। কিন্তু উভয়েই এখনও ঘুমিয়ে রয়েছে। তবে হাল ছাড়ার পাত্র নন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। এই মিশনের 'বোনাস' পেতে তাঁরা মরিয়া।
ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, আর একবার অন্তত বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে জাগিয়ে তুলতেই হবে। আর একটা লাফ মারতে পারলেই আরও অনেক তথ্য পাবেন তারা। নতুন জায়গা থেকে নতুন তথ্য গবেষণার জন্য খুবই লাভদায়ক হতে পারে তাদের কাছে। উল্লেখ্য, এর আগেও চাঁদের মাটিতে একবার লাফ দিয়ে স্থান বদল করেছিল বিক্রম।
ইসরোর চেয়ারম্যান আশার বাণী দিয়ে জানিয়েছেন, আমরা জানি না যে কখন চাঁদের মাটিতে প্রজ্ঞান ও বিক্রম জেগে উঠবে। হয়তো দেখা গেল, সূর্যাস্তের ঠিক আগেই জেগে উঠল। তাই চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে ঘুম ভাঙানোর। কেননা ঘুম ভাঙাতে পারলেই বিজ্ঞানীরা চাঁদের মাটি থেকে আরও তথ্য পাবে।
এখনও পর্যন্ত কোনও সংকেত পাওয়া যায়নি বিক্রম ও প্রজ্ঞানের কাছ থেকে। তবে ইসরো জানিয়েছে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। যদি রোভার প্রজ্ঞানের ঘুম না ভাঙে, যদি ল্যান্ডার বিক্রমকে জাগিয়ে তোলা যায়, তাহলে একটা মিরাকেল হবে। ১৪ দিনের জন্য চন্দ্রমিশন নির্ধারিত থাকলেও তার মেয়াদ আরও বেড়ে যাবে।
ইসরোর আশা, নিশ্চয়ই একটা না একটা সিস্টেমে সাড়া দেবে তারা। ট্রান্সমিটার ও রিসিভারের মতো বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতিগুলি প্রচণ্ড ঠান্ডা সহ্য করে সক্রিয় হতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করবে বিক্রম ও রোভারের জেগে ওঠা। চাঁদের মাটিতে রাত নামলে তাপমাত্রা পৌঁছে যায় মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। সেই ঠান্ডায় বিকল মেশিনকে সজাগ করা খুবই কঠিন।












Click it and Unblock the Notifications