• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

স্ত্রীর কাটা মুন্ডু মেয়ের স্কুলব্যাগ ভরে সটান থানায় যুবক, আত্মারাম খাঁচা পুলিশের

তখন সবে ভোর হয়েছে। পিঠে স্কুল ব্যাগ নিয়ে সটান থানায় হাজির এক যুবক। ব্যাগ থেকে রক্ত টপটপ করে পড়ছে। হাঁফাচ্ছেন যুবক। বড়বাবু আছেন- হাঁকডাক শুনেই ডিউটি অফিসার বলেন। কী হয়েছে? ব্যাগ থেকে একটা কাটা মুন্ডু বের করে যুবক বলেন, স্ত্রীকে খুন করেছি। আমাকে গ্রেফতার করুন।

পিঠে স্কুলব্যাগ নিয়ে ভোররাতে থানায় হাঁকডাক যুবকের, দেখেই আত্মারাম খাঁচা পুলিশের

তাজ্জবকাণ্ড দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায়। এই স্ত্রীকে খুন করে স্ত্রীর কাটা মুন্ডু ব্যাগে ভরে সোজা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে যুবক। আত্মসমর্পণকারী যুবকের নাম অভিজিৎ দাস। স্ত্রীর মুন্ডু ব্যাগ থেকে বের করে দেখানোর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ধৃত যুবককে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। দেখা যায় ছিন্নভিন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে মহিলার দেহ। মুন্ডু নেই। এরপর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। যুবককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঠিক কি কারণে এই মারাত্মক পরিণতি, কেন এমন নির্মমভাবে হত্যা করা হল ওই মহিলাটি তা স্পষ্ট হয়নি।

পুলিশ সমগ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃত যুবককে। প্রতিবেশী ও স্থানীয়দেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, এই হত্যার কারণ জানতে। তাদের সম্পর্ক কেমন ছিল, কোনও অশান্তি ছিল কি না, এর মধ্যে কোনও সম্পর্কের জটিলতা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিন বছরের শিশুর কাছ থেকেও বিষয়টি জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

English summary
Youth surrenders in police station after murder to his wife. He knocks the door of police station with wife’s cut head,
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more