• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রাতে লুকিয়ে গিয়েছিলেন প্রেমিকার ঘরে, হতেনাতে ধরা পড়ার পর জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যা

কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম করতে গিয়ে ধরা পড়ে নৃশংস পরিণতি হল প্রেমিকের। প্রেমিককে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোহ উঠল প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পরিবারের সম্মানরক্ষায় গায়ে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয় মেয়ের প্রেমিককে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির ভূপতিনগরে। মৃত যুবকের নাম রঞ্জিত মণ্ডল।

রাতে প্রেমিকার ডাক, ধরা পড়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে খুন প্রেমিককে

শনিবার ভূপতিনগরের খানজাদাপুরে যুবকের আধপোড়া দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে প্রেমঘটিত কারণেই খুন করা হয়েছে যুবককে। প্রেমিকার পরিবারের ৬ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূপতিনগরের খানজাদাপুরে মামরা বাড়িতে থাকত রঞ্জিত। সেখানেই এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর রঞ্জিত দিল্লিতে সোনার কাজে চলে যায়। চারদিন আগে বাড়ি ফেরে। এরপর প্রেমিকার ফোন করে শুক্রবার রাতে তাঁকে দেখা করতে বলে।

সেইমতো রঞ্জিত শুক্রবার রাতে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল। সবাই তখন ঘুমে আচ্ছন্ন। রঞ্জিতকে প্রেমিকার সঙ্গে এক ঘরে হাতেনাতে ধরে ফেলে মেয়েটির পরিবার। এরপরই শুরু হয় গণধোলাই। ছেলেটি নিস্তেজ হয়ে পড়তে তাঁকে বাড়ির অদূরে ঝোপের কাছে নিয়ে গিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

এরপর ভূপতিনগর থানার পুলিশ আধপোড়া দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। নৃশংস এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ মৃত যুবকের প্রেমিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনার পিছনে প্রতিহিংসা ও পারিবারিক সম্মান রক্ষার কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

More murder NewsView All

English summary
Youth is brutal murdered to burn after arrest with girlfriend in a house. The honor killing is occurred in East Midnapur.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more