• search

আইপিএলের বেটিং-এ রাজি না হওয়ায় ব্লেড দিয়ে যুবকের শরীর চিরল ‘বুকি’রা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মালদহ, ২৪ এপ্রিল : আইপিএলে কেকেআর বনাম আরসিবি ম্যাচে বেটিং-এ রাজি না হওয়ায় এক যুবকের ব্লেড দিয়ে সারা শরীর চিরে দেওয়া হল। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা মালদহের মিলকি বাজার সংলগ্ন মিলকি পাড়ায়। আক্রান্ত যুবকের নাম সফিকুল শেখ। রবিবার রাতে কলকাতা নাই রাইডার্স ও বেঙ্গালুরু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ম্যাচ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত যুবক মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    ইংরেজ বাজারের মিলকি বাজারের একটি দোকানে আইপিএল নিয়ে বেটিং চক্রের আসর বসত। গত ম্যাচে বাজি লাগিয়ে বেশ কিছু টাকা জেতে সফিকুল। তাই রবিবার রাতেও ম্যাচ চলাকালীন সফিকুলকে বেটিং-এ সামিল হতে বলে। তাঁকে নাইট রাইডার্সের পক্ষে বাজি ধরতে জোর করা হয়। কিন্তু সেই সময় কলকাতার পরিস্থিতির খারাপ থাকায় বাজি ধরতে রাজি ছিলেন না সফিকুল।

    আইপিএলের বেটিং-এ রাজি না হওয়ায় ব্লেড দিয়ে যুবকের শরীর চিরল ‘বুকি’রা

    এই নিয়েই বিবাদ শুরু হয়। এলাকার দুই যুবক আনুর শেখ ও সাদ্দাম হোসেন সফিকুলকে মারধর করতে শুরু করে। তা সত্ত্বেও বাজিতে রাজি না হওয়ায় ব্লেড দিয়ে তার গোটা শরীর চিরে দেওয়া হয়। সফিকুলের আর্ত চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে পাঠান। অভিযুক্ত যুবকরা তারপরই পালিয়ে যায়।

    আনুর ও সাদ্দামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ইংরেজবাজার থানায়। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। এলাকায় বেটিং চক্র চলছে অথচ পুলিশ কিছু জানে না। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে পড়ে এরপর। এই ব্যাপারে স্পিকটি নট পুলিশ।
    এর আগে হাওড়ার লিলুয়াতেও আইপিএড়ের বাজি নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে নাবালককে খুন করার অভিযোগ ওঠে। বাজিতে জেতা ২৫০ টাকা চাইতে গিয়েই ইট দিয়ে লিলুয়ার ছোট্টু পাসোয়ানকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।

    English summary
    Young man has not agreed on the betting, was incised his body with blade.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more