• search

খুড়তুতো ভাইয়ের বন্ধুরা গণধর্ষণ করল মহিলাকে, ধৃত চার

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    ধর্ষণ
    বসিরহাট, ৮ জুন: জোর করে ঝুপড়িতে ঢুকে এক মহিলাকে রাতভর গণধর্ষণ করল দুষ্কৃতীরা। পরে অবশ্য তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাটে।

    স্থানীয় সূত্রের খবর, চার বছর আগে বসিরহাটেরই চাঁপাপুকুর গ্রামে ওই মহিলার বিয়ে হয়। তাঁর স্বামী রাঁধুনির কাজ করতেন। মহিলার বাবা-মা থাকেন আন্দামানে। স্বামী না থাকলে মেয়েকে নিয়ে তিনি বসিরহাটে রেললাইনের ধারে কাকার ঝুপড়িতে এসে থাকতেন।

    গত ৩ জুন মঙ্গলবার রাতে নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে একাই ছিলেন কাকার বাড়িতে। কাকারা কেউ বাড়ি ছিল না। রাতে ফেরেনি। এই সুযোগে রাত ১১টা নাগাদ চারজন মদ্যপ যুবক দরমার দরজা ভেঙে ঢোকে। চারজনই তাঁর খুড়তুতো ভাইয়ের বন্ধু বলে মহিলার দাবি। অভিযোগ, চারজন প্রথমে ওই মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেয়। তিনি রাজি না হওয়ায় গলায় ভোজালি ঠেকিয়ে পরপর ধর্ষণ করে। মহিলার গোঙানির শব্দে তাঁর মেয়ে ঘুম থেকে উঠে পড়ে। বাচ্চা মেয়েটি মায়ের অবস্থা দেখে চিৎকার করতে শুরু করলে আশপাশের ঝুপড়ি থেকে কয়েকজন বেরিয়ে আসে। কিন্তু দুষ্কৃতীরা রিভলভার তাক করে ভয় দেখালে কেউ কোনও টুঁ শব্দ না করে চলে যায়। এর পর সারা রাত ধরে উপর্যুপরি ধর্ষণ করা হয় ওই মহিলাকে। ভোরবেলা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে দুষ্কৃতীরা চলে যায়।

    নির্যাতিতা মহিলা জানান, ৩ জুন ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও ভয়ে পুলিশকে কিছু জানাতে পারেননি। কিন্তু এলাকার মানুষ অপবাদ দিতে শুরু করায় উৎপাত থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তল্লাশিতে নেমে পুলিশ চারজনকেই গ্রেফতার করেছে। এরা হল নুরুল আমিন মোল্লা, আরিফ মোল্লা, হাফিউল্লা এবং উৎপল মণ্ডল। ধৃতরা সকলেই রঙের মিস্ত্রি। এদের মোবাইল ফোনে কয়েকজন যুবতীর ছবিও পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের অনুমান, যে গৃহস্থ বাড়িতে এরা রং করতে যেত, সেখানে লুকিয়ে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মেয়েদের ছবি তুলত। যে মহিলা ধর্ষিত হয়েছেন, তাঁর ভাই বেলাল গাজিও রঙের মিস্ত্রি। ধর্ষণের ঘটনায় তার পরোক্ষ ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশের অনুমান। বেলাল গাজির খোঁজ চলছে।

    English summary
    Woman gang raped in Basirhat, police arrested four youths

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more