বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডে কি একমঞ্চে দেখা যাবে রাহুল-কানহাইয়া কুমারকে, জল্পনা
বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডে কি একমঞ্চে দেখা যাবে রাহুল-কানহাইয়া কুমারকে, জল্পনা
কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিএম তথা বামফ্রন্টের জোট চূড়ান্তই, শুধু ১০০টি আসনে রফা নিয়েও যা জটিলতা রয়ে গিয়েছে। তার আগেই অবশ্য এই জোটের তরফে যৌথ ব্রিগেড সমাবেশ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে সমাবেশ নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন ব্রিগেডের সমাবেশে বামফ্রন্টের মূল বক্ত কে হবেন তা নিয়েই।

ব্রিগেডের যৌথ সমাবেশে এবার মূল বক্তা কে
সিপিএম এর আগে কংগ্রেসের কাছে আর্জি জানিয়েছে ব্রিগেডের সমাবেশে সোনিয়া গান্ধী বা রাহুল গান্ধীকে আনার। প্রদেশ কংগ্রেস সে ব্যাপারে কথা শুরু করেছে হাইকম্যান্ডের সঙ্গে। কিন্তু বামেদের মূল বক্তা কে হবেন, তা নিয়েই এখন সংশয়। সীতারাম ইয়েচুরি আছেন কিন্তু চমক কোথায়, তা নিয়েই জল্পনা।

বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডে স্পষ্ট নয় মূল বক্তার নাম
বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশে বাংলার নেতারা তো থাকবেনই, কিন্তু চমক কারা হবেন, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সর্বত্র প্রচার শুরু হয়েছে, পথসভার পাশাপাশি দেওয়াল লিখনও চলছে জোরকদমে। কিন্তু মূল বক্তার নাম সেখানে লিখতে পারছে না। কংগ্রেস বা বামফ্রন্ট কারও তরফেও স্পষ্ট নয় মূল বক্তার নাম।

কানহাইয়া কুমারকে নিয়ে সংশয়ে কেন বাম নেতৃত্ব
বামফ্রন্টের একাংশ চাইছে কানহাইয়া কুমারকে আনতে। তাঁকে নিয়ে এলে আবার প্রচারের আলো পুরোপুরি তাঁর দিকে চলে যাবে। বাংলার নেতারা অনেকে আবার সেটা পছন্দ করছে না। তারপর কানহাইয়া কুমার মোদীকে নিশানায় যতটা ক্ষিপ্র, ততটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নন। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নরম তিনি।

বুদ্ধ-রাহুলের পর কি ব্রিগেডে রাহুল-কানহাইয়া?
এই অবস্থায় বাম নেতৃত্ব পড়েছে সংশয়ে। ২০১৬-য় বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেড সমাবেশে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য আর রাহুল গান্ধী ছিলেন। কিন্তু এবার সেই সুযোগ নেই। রাহুল এলে তাঁর পাশে বাম নেতা কে, তা নিয়ে চর্চা চলছে। আবার কানহাইয়া কুমার আর রাহুল গান্ধী এক মঞ্চে থাকলে সেটা একটা ভিন্ন মাত্রা পাবে রাজ্য রাজনীতিতে। তা না হলে রাহুল-সাতীরাম ইয়েচুরি জুটিতেই সন্তুষ্ট হতে হবে, নতুবা সোনিয়া ও ইয়েচুরি।












Click it and Unblock the Notifications