• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

দলে ভালো লোক আনুন মমতা, না হলে একুশেই গণেশ ওল্টানোর আশু সম্ভাবনা

  • By Shubham Ghosh
  • |

সেই ২০০৬ সালের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রাজনীতিতে এমন ধাক্কা খায়নি। সেবারে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টের কাছে গো-হারা হারে তৃণমূল এবং তাদের একদা জোটসঙ্গী বিজেপি। সেই পরাজয়ের পরে বুদ্ধবাবুর 'আমরা ২৩৫, ওরা ৩০' মন্তব্য আজও রাজ্য রাজনীতিতে স্মরণ করা হয়।

দলে ভালো লোক আনুন মমতা, না হলে দশ বছরেই গণেশ ওল্টাবে

এবারে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা জেনে সেই তিক্ত স্বাদ আরেকবার অনুভব করলেন। যদিও তাঁর দল এবারের নির্বাচনে রাজ্যে বৃহত্তম দলই, কিন্তু যেখানে জোর গলায় এবারে ৪২-এ ৪২টিই পাবেন বলে তিনি ও তাঁর সেনাপতিরা দাবি করছিলেন, সেখানে মাত্র ২২টি আসনে এগিয়ে থাকার ফলাফল মোটেই আশাব্যঞ্জক নয় তৃণমূলের কাছে। অন্যদিকে, রাজ্যের প্রান্তিক দল বিজেপি এবারে অভূতপূর্ব ফল করে বুঝিয়ে দেয় যে ২০২১ সালের বিধানসভা লড়াইতে মমতার কাজ অত সহজ হবে না।

এইরকম পরিস্থিতি ২০০৯ সালে দেখা গিয়েছিল যেবারে লোকসভা নির্বাচনে বামেরা ১৫-১৯ ফলে তৃণমূলের কাছে পিছিয়ে পড়ার পরে ২০১১তে রাজ্যে ক্ষমতাই খোয়ায় মমতার কাছে। এবারে বামেদের জায়গায় তৃণমূল যারা এই মুহূর্তে সামান্য কিছু আসেন এগিয়ে থাকলেও আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে যে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তারা হেরেও যেতে পারে। আগামী দুই বছরে মমতাকে এমন কিছু করে দেখাতে হবে যাতে গেরুয়াবাহিনীর কাছে তাঁকে ধরাশায়ী না হতে হয়।

কী করবেন মমতা?

দলে ভালো মুখ আনুন দিদি; মানুষ এবারে ধৈর্য হারাচ্ছে

প্রথমেই তাঁর প্রয়োজন দলের শুদ্ধিকরণ। তৃণমূল কংগ্রেসের মতো মাথা-সর্বস্ব দলের নেতা-হোতাদের অবস্থা এতটাই তথৈবচ যে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা শূন্যই বলতে গেলে। সে অবস্থা আন্দাজ করেই মমতা নির্বাচনে তারকা প্রার্থী দাঁড় করাতে থাকেন দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে কিন্তু এই উপায়ে আদৌ কতদিন চলতে পারে? দলের মধ্যে যতদিন না ভালো মুখের আমদানি করতে পারছেন না দিদি, তদ্দিন সাধারণ মানুষের আনুকূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। সত্যি কথা বলতে, মমতার মেশিনারি হোতা হলেও দলের বেশ কিছু নেতার মুখ দেখতেই এখন বিরক্ত সাধারণ মানুষ। তার উপরে রয়েছে দলের মধ্যে দলাদলি। এদেরকে দিয়ে আর খুব বেশিদিন ভোটের বাক্স ভরানো সম্ভব হবে না।

প্রায় এক দশকে মমতা সরকারের আর্থিক কৃতিত্ব কী?

দ্বিতীয়ত, প্রায় এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখনও কোনও আর্থিক নীতি চোখে পড়ল না। ২০০৬ সালে ব্যর্থ হলেও তখনকার বুদ্ধদেব সরকার একটি শিল্পায়নের আর্থিক নীতি নিয়ে এগোনোর কথা ভেবেছিলেন। মমতা কিন্তু সেই পথে ভুলেও এগোন না কারণ তিনি চান না সিঙ্গুরের মতো অভিজ্ঞতা তাঁর সরকারেরও হোক। কিন্তু এই সাবধানী অবস্থান নিতে গিয়ে মমতা নিজের কোনও প্রশাসনিক কৃতিত্বই তৈরী করতে পারেননি। তাঁর আমলে রাজ্যে ক'টি লগ্নিকারী সংস্থা এসেছে বা কতজন ছেলেমেয়ে চাকরি পেয়েছে, সেই ব্যাপারে কোনও অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা কি মমতার সরকার দিতে পারবে? উল্টে যত দিন যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক অবস্থা রসাতলে যাচ্ছে এবং তোলাবাজি-সিন্ডিকেট রাজ্যের একটি সমান্তরাল অর্থনীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর যাঁতাকলে পড়ে রাজ্যের মানুষের নাজেহাল অবস্থা কিন্তু প্রশাসন প্রায় ঠুঁটো জগন্নাথ। রাজনৈতিক মমতার পাশাপাশি প্রশাসক মমতারও এটা একটা বড় ব্যর্থতা।

আসলে বাম-বিরোধিতাই তৃণমূলের মূল উপজীব্য হওয়ার ফলে আর কোনও এজেন্ডা দলটি তৈরী করতে পারেনি এ যাবৎ। বামেরা গত হওয়ার পড়ে এখন তৃণমূলও জানে না রাজনীতির আঙিনায় নতুন দুশমনকে তারা ঠেকাবে কী ভাবে। শুধু গালিগালাজ করে বিজেপিকে হারানো সম্ভব নয় মমতা সেটা হয়তো বুঝেও বুঝছেন না।

English summary
Why Trinamool Congress has a real threat from BJP in 2021 Bengal state elections
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more