বাংলায় আম্ফানের ত্রাণ ঘিরে মমতা প্রশাসনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ! রাজ্যসরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে
বাংলায় আম্ফানের ত্রাণ ঘিরে মমতা প্রশাসনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ! রাজ্যসরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে
পশ্চিমবঙ্গ দেখেছে আম্ফানের তাণ্ডব কীভাবে বিপর্যস্ত করেছে গোটা রাজ্যকে। মুহূর্তে ঝড় রাতের অন্ধকারে গৃহহীন করেছে বহু মানুষকে। ফসলের জন্য বিপুল ধ্বংস ডেকে এনেছে এই ঝড়। আর এমন বিধ্বংসী ঝড়ের ক্ষতিপূরণ হিসাবে ১০০০ কোটি টাকা এসেছে কেন্দ্রের ত্রাণ তহবিল থেকে। রাজ্য জানিয়েছে প্রয়োজন আরও। এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ উপস্থিত।

কোন চ্যালেঞ্জ মমতার সামনে?
উল্লেখ্য, আম্ফানের দাপট মিটেছে আজ কয়েক মাস পেরিয়েছে। কিন্তু সরকারি দফতরে এখনও আসছে সেই ঝড়ের তাণ্ডবের ক্ষতিপূরণ চেয়ে আবেদন। আর এই আবেদনে সাড়া দিতে গিয়ে নাজেহাল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মমতা সরকারের সামনে এখন এটাই বড় চ্যালেঞ্জ হল ,এই আবেদনগুলির সত্যতা যাচাই।

কত লাখ আবেদন?
নতুন করে পশ্চিমবঙ্গে ৫ লাখ আবেদন জমা পড়েছে আম্ফানের ত্রাণ চেয়ে। মে মাসের ২০ তারিখে যে ঝড় রাজ্যকে তছনছ করে দিয়েছিল, তা র জন্য ত্রাণের টাকার আবেদন অগাস্ট মাস পর্যন্ত আসছে। এর আগে সরকার জানিয়েছিল যে যাঁরা প্রাথমিকভাবে এই ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁরা যেন ত্রাণের টাকা নিতে এগিয়ে আসেন।

কলকাতা সহ কোন এলাকা থেকে আবেদন?
জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ একাধিক এলাকা থেকে আবেদন আসছে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে। হাওড়া , হুগলির মতো জেলা থেকেও আম্ফানের ত্রাণের জন্য নতুন করে আর্থিক সাহায্য়ের আবেদন বেড়েছে। এদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ২.০৭ লাখ, ও উত্তর ২৪ পরগনা থেকে ১.১৭ লাখ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে এক লাখ আবেদন জমা পড়েছে।

সরকারের প্ররিশ্রুতি
এর আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানিয়েছিল যে ২০ হাজার টাকারসাহায্য় তাঁরা পাবেন যাঁদের বাড়ি ঝড়ে সম্পূর্ণ ভেঙেছে। বাড়ি যদি খানিকটা ভেঙে গিয়ে থাকে তাহলে ৫ হাজার টাকার সাহায্য় আসবে। এখনও পর্যন্ত ১৭. ৩০ লাখ মানুষ ত্রাণ পাবে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অন্যদিকে, ১৪.৮২ লাখ মানুষ ত্রাণ পেয়েছেন বলে খবর। ত্রাণ সম্পর্কিত আরও একটি তালিকা ১৪ অগাস্ট প্রকাশ্যে আসবে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications