• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

একশো দিনের কাজের সুফল! লকডাউনের মাঝে ১১ কোটি শ্রমদিবস তৈরি সরকারের

  • |

দীর্ঘ লকডাউনের জেরে শহরের অর্থনীতির পাশাপাশি গ্রামীন অর্থনীতিও তীব্র মন্দা দেখা দিয়েছে। যদিও একাধিক সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা ও সরকারি বরাদ্দের জেরে গত মাস থেকে ধীরে ধীরে কিছুটা হলেও অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে এই কঠিন সময়েও অক্সিজেন জোগাচ্ছে রাজ্যের তৃণমূল সরকারে একশো দিনের প্রকল্প (MGNREGA)। সূত্রের খবর, ২০২০-২১ অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে MGNREGA প্রকল্পের আওতায় ১১.৫৩ কোটি শ্রমদিবস তৈরি করেছে রাজ্য সরকার।

একশো দিনের কাজের হাত ধরে লকডাউনের মাঝে ১১ কোটি শ্রমদিবস তৈরি সরকারের

এই সময়ের মধ্যে একজন ব্যক্তি যে পরিমাণ কাজ করতে পারেন তার পরিমাণ বিবেচনা করেই এই হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরেই লকডাউনের মাঝে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে মাঠে নামে রাজ্য পঞ্চায়েত এবং গ্রাম উন্নয়ন বিভাগ। গ্রামীন অর্থনীতির হাল ফেরাতে সরকারি উদ্যোগেই একাধিক বড়সড় পদক্ষেপও নেওয়া হয়। এমনকী লকডাউনের জেরে সৃষ্ট পরিযায়ী শ্রমিক সঙ্কট মেটাতেও গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিকে সরকারর তরফে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়।

হারানো জমি ফিরে পেতে শুভেন্দু কে হাতিয়ার করে এগোতে চায় দল

ঢালাও কাজ শুরু হয় একো দিনের প্রকল্পের হাত ধরে। এদিকে পরিযায়ী সঙ্কট কাটাতে এই সময়েই সুপ্রিম কোর্ড়টের তরফেও বিশেষ নির্দেশ আসে। সূত্রের খবর, চলতি অর্থবর্ষের শ্রম বাজেটের ১৫৭.৭২ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে প্রথম তিন মাসের। সৃষ্টি হয়েছে ১০ কোটিরও বেশি কর্মদিবস। শ্রম দফতরের এক কর্মকর্তার মতে এই বছরের শ্রমবাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ২২ কোটির কাছাকাছি। তারমধ্যে ৫২.৪৪ শতাংশ বাজেটের কাজই এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়েছে।

English summary
The government has created 11 crore working days in the midst of lockdown by holding 100 days of work
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more