সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ফোন করেন! বাজেট অধিবেশনে যোগ নাও দিতে পারেন 'অপমানিত' রাজ্যপাল
সামনেই বিধানসভা অধিবেশন বসতে চলেছে। নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপালের ভাষণ দিয়ে শুরু হয় অধিবেশন। আগামী ২রা জুলাই এই অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। আর তার আগেই প্রকাশ্যে বিরোধ নবান্ন এবং রাজভবনের মধ্যে। জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে স
সামনেই বিধানসভা অধিবেশন বসতে চলেছে। নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপালের ভাষণ দিয়ে শুরু হয় অধিবেশন। আগামী ২রা জুলাই এই অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। আর তার আগেই প্রকাশ্যে বিরোধ নবান্ন এবং রাজভবনের মধ্যে। জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে সংঘাত।

যা পড়তে চলেছে আগামী বিধানসভার অধিবেশনে। সম্ভবত অধিবেশনে যোগ নাও দিতে পারেন রাজ্যপাল ধনখড়। তাঁর মন্তব্য, অপমানিত হতে আর চাইনা। রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যে ঘিরেই এই জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত দেখার বিধানসভা ভবনে যান কিনা রাজ্যপাল?
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালকে কার্যত দুর্নীতিতে জড়িত একজন মানুষ বলে তীব্র আক্রমণ করেন। এমনকি জৈন হাওয়ালা-কাণ্ডের চার্জশিটে তাঁর নাম রয়েছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এরপরেই পালটা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যপাল।
জৈন হাওয়ালা-কাণ্ড নিয়ে পালটা মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। তাঁর দাবি, চার্জশিটে তাঁর কোথাও নাম নেই। পালটা প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। তবে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এহেন আক্রমণ কেন করেছেন তার ব্যাখ্যা তুলে ধরেন রাজ্যপাল।
তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে ফেরার পরেই অধিবেশনের খসড়া দেখতে পাই। যেখানে দেখি একাধিক অবাস্তব ইছু লেখা রয়েছে। যা বাস্তবের সঙ্গে কোনও মিল নেই বলেই দাবি রাজ্যপালের। যা দেখার পর মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন রাজ্যপাল। আর তা দেখে সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ফোন করেন।
প্রায় কিছুক্ষণ কথা হয় এই বিষয়ে। প্রত্যুত্তরে মমতা জানান, মন্ত্রিসভা খসড়া পাশ করেছে। আমার কিছু করার নেই। আর এরপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে তাঁকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ রাজ্যপালের।
এদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক বিষয়কে সামনে তুলে এনে ফের একবার মমতাকে আক্রমণ করেন ধনখড়। যদিও পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কি কথা বলছেন তা সামনে তুলে এনে কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করছেন। রাজ্যপাল একজন দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ বলেও তোপ তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের।
তিনি বলেন, তিনি এইদিকে সংবিধানকে অপমান করছেন। অন্যদিকে বাংলার মানুষকে অপমান করছেন। উত্তরবঙ্গ ভাগ করার চক্রান্ত রাজ্যপাল ধনখর করছেন বলেও অভিযোগ তৃণমূলের।
কাদের সঙ্গে রাজ্যপাল মিটিং করলেন সেই তথ্য সামনে আনার দাবি জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications