মমতার সরকারের করোনা পোর্টাল ‘বেনভ্যাক্স’ কেন্দ্রীয় সরকারের স্ক্যানারের আওতায়
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে। এরপরই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের চালু করা কোভিড-১৯ ডিজিটাল পোর্টালটিকে কেন্দ্রীয় সরকারের স্ক্যানারে আনা হয়েছে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এর ভিন্ন ব্যাখ্যা করেছেন।

রাজ্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানান, কোভিন-১৯ পোর্টাল 'বেনভ্যাক্স' কেন্দ্রের কোউইন অ্যাপ্লিকেশনটির সঙ্গে একীভূত হয়েছে। উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী তাঁর দিল্লি সফরে রাজ্যে করোনা ভ্যাকসিনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পুনর্বিবেচনার বিষয়ে আলোচনা করেন। অভিযোগ, ভারত কর্তৃক অনুমোদিত নয়, এমন ভ্যাকসিনেশন-ড্রাইভ ব্যবহৃত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন টুইট করে এ কথা জানান,
হর্ষ বর্ধনের টুইটের একদিন পরে বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা একটি চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি ভ্যাকশিনেশন ক্যাম্পে কো-রেজিস্ট্রেশন চাওয়া হচ্ছে না এবং বেনভ্যাক্সের মাধ্যমে লোককে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সম্বলিত টিকাদানের শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে।
এর ফলে টিকাগ্রহণের সত্যতা যাচাই করতে সাধারণ মানুষ যে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে তা উল্লেখ করে বর্ধন টুইট করেছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ আধিকারিকরা অবশ্য এই অভিযোগ সম্পূর্ণ নষ্ট করেছেন এবং স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে বেনভাক্স পোর্টালটি কিছু অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য-সহ রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে কোউইন অ্যাপের সাথে একীভূত হয়েছে।
বেনভ্যাক্স, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি উদ্যোগ। কেন্দ্রের কো-উইনের সঙ্গে রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে একীভূত হয়েছে। কো-উইনের সঙ্গে নিবন্ধনের পরে বেনভ্যাক্স থেকে ভ্যাকসিনের শংসাপত্র পাবেন। প্রাপক কো-উইন থেকেও এসএমএস এবং শংসাপত্র পাবেন। বেনভ্যাক্স মুখ্যমন্ত্রীর ছবি-সহ একটি অতিরিক্ত শংসাপত্র দেয়। আর কো-উইন থেকে ডাউনলোড করা শংসাপত্রটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি রয়েছে। বেনভাক্স থেকে ডাউনলোড করা শংসাপত্রটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications