ভাঙন রোধে পিকের পরামর্শ! দলে নতুন কর্মসূচি শুরু করল তৃণমূল

ভাঙন রোধে পিকের পরামর্শ! দলে নতুন কর্মসূচি শুরু করল তৃণমূল

একের পর প্রভাবশালী নেতা তৃণমূল (trinamool congress) ছেড়ে বিজেপি (bjp) শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন। সঙ্গে যাচ্ছেন কর্মীরাও। কিন্তু বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে নেতাকর্মীরা যাচ্ছেন, সেরকম খুব একটা শোনা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে নিজেদের শক্তি যাচাই করে নিতে নতুন কর্মসূচি তৃণমূলের। নাম দেওয়া হয়েছে আমিও দিদির সৈনিক।

শক্তি যাচাইয়ে তৃণমূলের নতুন কর্মসূচি

শক্তি যাচাইয়ে তৃণমূলের নতুন কর্মসূচি

নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে চলেছে এই ফেব্রুয়ারিতেই। তার আগে শক্তি যাচাইয়ে শেষ চেষ্টা তৃণমূলের। এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে আমিও দিদির সৈনিক। এই কর্মসূচিতে নিজেদের বাড়িতে তৃণমূলের পতাকা টানানোর পাশাপাশি তিন বন্ধু কিংবা সহযোদ্ধাকে তাদের বাড়িতে পতাকা লাগানোর অনুরোধ করার কথা বলা হয়েছে, তৃণমূলের এই নতুন কর্মসূচিতে। এইভাবেই রাজ্য জুড়ে জনআন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। মালদহের পর এবার পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াতে এই কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এনিয়ে ব্যাপক প্রচার শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই কর্মসূচি চালানোর ব্যাপারে সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী তা বাড়ানো হতে পারে।

কর্মসূচিতে নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ

কর্মসূচিতে নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ

কর্মীদের আগে নেতারা এক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন, পুরুলিয়া জেলাপরিষদের শিক্ষা, সংস্কৃতির স্থায়ী কমিটির কর্মাধ্যক্ষ গুরুপদ টুডু। তাঁর তিনি সহযোদ্ধার তালিকা রয়েছেন পুরুলিয়া জেলাপরিষদে তাঁর তিন কোঅর্ডিনেটর তথা জেলাপরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, সুষেণচন্দ্র মাঝি, মিনু বাউড়ি।
পুরুলিয়া যুব তৃণমূল সভাপতি সুশান্ত মাহাতও নিজেরব বাড়িতে পতাকা টানিয়েছেন। তাঁর তিন সহযোদ্ধা হলেন জেলাপরিষদের সৌমেন বেলথরিয়া, প্রতিমা সোরেন এবং সংগঠনের নেতা প্রণব দেওঘরিয়া।

ভাঙন ঠেকাতে কর্মসূচি

ভাঙন ঠেকাতে কর্মসূচি

তবে বিরোধী শিবির তৃণমূলের এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছে। নিজেদের শক্তি যাচাইয়ে প্রায় একই ধরনের কর্মসূচি বছরখানেক আগে নিয়েছিল বিজেপি। খানিকটা তাদের পথ অনুসরণ করে ভোটের আগে শক্তি যাচাইয়ে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি জেলায় জেলায় যে ভাঙন ঘাসফুল শিবিরে শুরু হয়েছে, তাতে কিছুটা বাধা দিতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে বিরোধী শিবির।

 আগেও দলীয় পর্যায়ে কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল

আগেও দলীয় পর্যায়ে কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল

একদিকে সরকারি পর্যায়ে সব মানুষের কাছে পৌঁছতে যেমন দুয়ারে সরকার এবং পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি নিয়েছে, ঠিক তেমনই দলীয় পর্যায়েও একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গতবছর মার্চের শুরুতে তৃণমূল বাংলার গর্ব মমতা কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের নেতা, কর্মীদের সাক্ষাতের কথা বলা হয়েছিল। বাংলার উন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্যের সাম্প্রদায়িক ঐক্য বজায় রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বোঝানো হয়েছিল। ৭৫ দিন ধরে এই কর্মসূচি চালানোর লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল। যদিও তারই মধ্যে করোনা মহামারী দেখা দেয়।
আর গতবছরের নভেম্বর বঙ্গধ্বনি কর্মসূচি নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরা হয় এই কর্মসূচিতে। সাধারণ মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেন তৃণমূলের নেতা, বিধায়ক ও ন্য জনপ্রতিনিধিরা। সঙ্গে চলে জনসংযোগের প্রক্রিয়াও।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+