শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিশ্বাসঘাতকতা, ১০ হেভিওয়েটকে বহিষ্কার করল তৃণমূল
দলে থেকে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ, ১০ হেভিওয়েটকে বহিষ্কার করল তৃণমূল
দলে থেকে শুভেন্দু অধিকারীর (suvendu adhikari) সঙ্গে যোগাযোগ বিশ্বাসঘাতকতার সামিল। এমনটাই মনে করছে তৃণমূল কংগ্রেস (trinamool congress) । তাই নেতাদের ওপরে নজর রাখা হচ্ছে। এদিন এমনই ১০জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কারের (expell) কথা জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে।

একসঙ্গে ১০ নেতাকে বহিষ্কার
দলে থেকে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকের ১০ জন তৃণমূল নেতাকে তিন বছরের জন্য বহিষ্কার করল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে এইকথা জানিয়েছেন জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র। দলে থাকা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা কেউই ছাড় পাবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এই দশ নেতা হলেন, দিবাকর জানা, সুনীল দেব অধিকারী, শিলাদিত্য আদক, নিকুঞ্জদবিহারী মান্না, বিভাস কর, মিনতি পট্টনায়েক, দেবনাথ দাস, তনুশ্রী জানা, রাখী আদক, নীলিমা দেব অধিকারী। এই বহিষ্কারে শহিত মানঙ্গিনী ব্লক তৃণমূলে বড় ধাক্কা লাগল।

ডিসেম্বরে বহিষ্কার করা হয়েছিল কনিষ্ক পণ্ডাকে
শুভেন্দু অধিকারী তখনও দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি। সেই সময় তৃণমূলের জেলা সম্পাদক কনিষ্ক পণ্ডাকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সময় চালু থাকা স্বাস্থ্যসাথী এবং দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তিনি সরকারের সমালোচনা করেছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। তিনি বলেছিলেন, দিদিকে যতক্ষণ না মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে সরাতে পারছেন, ততদিন পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

পরে একাধিক শুভেন্দু অনুগামীকে অপসারণ
এর পরবর্তী সময়ে একাধিক শুভেন্দু অধিকারীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা তাদের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। এই তালিকায় ছিলেন কোলাঘাটে ব্লক তৃণমূল সভাপতি রাজু কুণ্ডু এবং সুতাহাটা ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি মহাপ্রসাদ পাত্র। শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদে ইস্তফা দেওয়ার পরেই এই দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর বহিষ্কৃত হওয়ার পরে এইসব নেতারা মিষ্টিও খাইয়েছেন। তবে এই নেতার বহিষ্কারের ক্ষেচত্রে দাদার অনুগামী হওয়ার কথা বলা হয়নি। বলা হয়েছিল দায়িত্ব দেওয়া হলেও সঠিকভাবে তা পালন করেননি।

তৃণমূলে হয়েছে পর্যালোচনা বৈঠক
একদিকে দলবদল অন্যদিকে দাদার অনুগামী হওয়ায় বহিষ্কার। বড় ধাক্কা খেয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। যা নিয়ে দলের অন্দরে পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে একাধিকবার। সেখানে বারবার দেখা হয়েছে, ২১-এর নির্বাচনের আগে কারা দলে থাকতে পারেন আর কারা নয়।












Click it and Unblock the Notifications