বাংলায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে মোট আক্রান্ত ৩০, সন্দেহজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ৬০: সূত্র
গত কয়েকদিন আগেও বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার ছিল ১৯ হাজার থেকে ২০ হাজার! এই অবস্থায় বাংলায় কার্যত লকডাউন জারি করা হয়। একাধিক বিধি নিষেধ জারি করা হয়। যার সুফল পাচ্ছে বাংলার মানুষ। গ্রাফ এখন নিম্নমুখী।
গত কয়েকদিন আগেও বাংলায় দৈনিক করোনা সংক্রমণের হার ছিল ১৯ হাজার থেকে ২০ হাজার! এই অবস্থায় বাংলায় কার্যত লকডাউন জারি করা হয়। একাধিক বিধি নিষেধ জারি করা হয়। যার সুফল পাচ্ছে বাংলার মানুষ। গ্রাফ এখন নিম্নমুখী।

ক্রমশ কমছে রাজ্যের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আজ বৃহস্পতিবার কমেছে করোনায় মৃতের সংখ্যাও। যা নিঃসন্দেহে আশার আলো।
যদিও এভাবে সংক্রমণের হার কমার জন্যে বাংলার মানুষকেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মানুষ কোভিড বিধি মানছে বলেই কমছে সংক্রমণ। তবে রাজ্যে ক্রমশ চিন্তা বাড়াচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস।
তথ্য বলছে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে একজন এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন মোট ৩০ জন রোগী। যা অবশ্যই স্বাস্থ্য দফতরের কাছে চিন্তার কারণ।
চিকিৎসকদের একাংশ বলছে, প্রত্যেকদিনই এক কিংবা একাধিক রোগী আসছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে। তবে তথ্য বলছে গত ২৪ ঘন্টায় আরও পাঁচজন সন্দেহভাজন রোগীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে গোটা রাজ্যে এই রোগে সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। কলকাতা সহ জেলার একাধিক সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে এই মুহূর্তে মোট চিকিৎসাধীন সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৬০। এছাড়াও রাজ্যে এখনও পাঁচজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে। এমনটাই সূত্রের খবর।
অন্যদিকে, করোনার মাঝে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ আতঙ্ক বাড়িয়েছে দেশে। ক্রমশ বাড়ছে এই রোগীর সংখ্যা। ভয়ঙ্কর ঘাতক এই রোগ। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারী ঘোষণা করার জন্য রাজ্যগুলির কাছে আর্জি জানিয়েছিল কেন্দ্র।
সেই আর্জি মেনে একাধিক রাজ্য ইতিমধ্যেই মহামারী ঘোষণা করেছে। মহামারী আইনের আওতায় এনে এই রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, পাঞ্জাব, তেলঙ্গানা সহ একাধিক রাজ্য ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারী ঘোষণা করেছে।
মহামারী আইনের আওতায় এনে সেই সব রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসা চলছে। যদিও রাজধানী দিল্লি, উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমিতের সংখ্যা সর্বাধিক।
সেখানে ওষুধ সংকটও তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে এবার থেকে রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিসকে নোটিফায়েবল ডিজিজ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে মানতে হবে নির্দিষ্ট গাইডলাইন। রাজ্যের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, চিকিৎসককে এই গাইডলাইন মেনেইএই রোগের চিকিৎসা করতে হবে।
Recommended Video
যেখানে রোগ চিহ্নিত হয়েছে তা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানাতে হবে। রোগীর পরিচয় এবং কী ধরনের চিকিৎসা করা হচ্ছে তাও জানাতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications