জোটে জট তৈরির পর এবার সামসেরগঞ্জের প্রার্থী বাছাইয়ে নাজেহাল কংগ্রেস
জোটে জট তৈরির পর এবার সামসেরগঞ্জের প্রার্থী বাছাইয়ে নাজেহাল কংগ্রেস
জোটে জট তৈরির পর সামশেরগঞ্জের প্রার্থী নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত সিপিআইএম প্রার্থী থাকলেও মুর্শিদাবাদের এই আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে রেজাউল হককে প্রার্থী করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু করোনা আক্রান্ত হয়ে রেজাউল হকের মৃত্যু হওয়ায় এই আসনে ভোট পিছিয়ে প্রথমে ১৩ মে করা হয়। ইদের দিনে ভোট পড়ায় বিভিন্ন দল থেকে আপত্তি ওঠায় নির্বাচনের দিন বদলে ১৬ মে ধার্য করেছে নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক আমিরুল ইসলাম যখন প্রচারে কয়েক কদম এগিয়ে, তখন জটিলতায় জোট নিজেরাই মহাচিন্তায়।

কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল প্রয়াত রেজাউল হকের স্ত্রী রোকেয়া খাতুনের নাম। কিন্তু ১৫ এপ্রিল স্বামী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন এবং শাশুড়ি করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় ভোটে দাঁড়াতে রাজি নন রোকেয়া খাতুন।
এর ফলে প্রার্থী নিয়ে নতুন করে জটিলতার মুখে পড়েছে কংগ্রেস। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল। কিন্তু প্রার্থী খুঁজতে গিয়েই দলের হিমশিম অবস্থা! কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে জঙ্গিপুর লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ খলিলুর রহমানের ভাই জৈদুর রহমানের কথা বিবেচনা করেছে ব্লক কংগ্রেস। কিন্তু তিনিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সময় চেয়েছেন ২৪ ঘন্টা। এর মধ্যে আরও দুজনের নাম নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করছে কংগ্রেস। তাঁরা হলেন শিল্পপতি সইদুল ইসলাম এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ তথা সাংসদ খলিলুর রহমানের ভাইপো আনারুল হক বিপ্লব।
১৬ মে সামশেরগঞ্জ বিধানসভার নির্বাচন। এই আসনেই শুধু সংযুক্ত মোর্চার জোট হয়নি। সংযুক্ত মোর্চার সিপিআইএম প্রার্থী মোদাস্সর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়ে জোটে জট সৃষ্টি করে কংগ্রেস। এখন কংগ্রেসই প্রার্থী নিয়ে নাস্তানুবাদ। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন সামশেরগঞ্জ ব্লক কংগ্রেস সভাপতি হাবিবুর রহমান। শেষ মুহূর্তে জৈদুর রহমান প্রার্থী হতে অস্বীকার করলে সইদুল ইসলামকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে পারে কংগ্রেস, এমনটাই সূত্রের খবর।












Click it and Unblock the Notifications