'যন্ত্রণা'র কথা জানালেন জননেত্রী, হুইলচেয়ারে মিছিলের আগে বড় বার্তা দিয়ে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পায়ে প্লাস্টার, হুইল চেয়ারে শহরের রাজপথে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। যে দৃশ্য বাংলা আগে কখনও দেখেছে কি না, তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক থাকতে পারে। তবে এমন দৃশ্যে নন্দীগ্রাম দিবসে কার্যত তাক লাগালেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী তথা ঘাসফুল শিবিরের অধিনায়ক মমতা। এদিন কলকাতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশ থেকে নন্দীগ্রামের শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে তৃণমূলের তরফে আয়োজিত বিশেষ মিছিলে অংশ গ্রহণের আগে মমতা রাখেলন বড় বার্তা।

'আমরা চালিয়ে যাব'
' আমরা চালিয়ে যাব। আমার এখনও যন্ত্রণা হচ্ছে। কিন্তু মানুষের ব্যথা আমার চেয়ে বেশি।' ঠিক এই বার্তা দিয়ে কলকাতার রাজপথে হুইল চেয়ারে মিছিলে অংশ নিতে দেখা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়কে। বহু নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে থেকে এদিন মমতাকে এদিনে হুইল চেয়ারে মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়।

নন্দীগ্রাম নিয়ে নন্দীগ্রামের প্রার্থীর বার্তা
'আমাদের শ্রদ্ধেয় মাটিকে রক্ষা করতে অনেক লড়াই করেছি। আরও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করে আছে আমাদের জন্য।' টুইটার পোস্টে এমনই বক্তব্য রেখে মমতা এদিন পারদ চড়িয়েছেন। জানান দেন তাঁর অদম্য লড়াইয়ের ইচ্ছাশক্তিকে।

'কাপুরুষদের কাছে মাথা নত করব না'
মমতা সাফ বক্তব্যে টুইটারে লেখেন, 'কাপুরুষদের কাছে মাথা নত করব না। ' প্রসঙ্গত, এদিন ৫ কিলোমিটার লম্বা পথে মিছিল করছে তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতার বুকে এই মেগা ব়্যালি মমতার আঘাত লাগার ঘটনার পর একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। একদিকে আজ ঐতিহাসিক নন্দীগ্রাম দিবস, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এমনভাবে মমতাকে আগে কখনও লড়তে দেখেনি বাংলা।

'যুদ্ধ শুরু হল'
এদিন মেয়োরোডে মমতা আসার আগে সভামঞ্চে বক্তব্য রাখেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ। অভিষেক বলেন, ' বহিরাগতদের কাতে বশ্যতা স্বীকার করব না। বিজেপির কাছে বশ্যতা স্বীকার করব না। '












Click it and Unblock the Notifications