• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ডাক্তারদের দেখাদেখি পুলিশকর্মীরাও কাল বিদ্রোহ শুরু করলে মমতা কী করবেন?

রাজ্যের প্রশাসনিক মাথা তাঁদেরকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন। আর তাতেই অবস্থার অবনতি হচ্ছে হু-হু করে। গণ-ইস্তফার রাশ ধরার কেউ নেই; আস্তে আস্তে খাদের দিকে এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসা ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গিয়েছেনও কয়েকজন, একটি তিন দিনের শিশু সহ। এদিকে ডাক্তাররাও অনড়। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে কৈফিয়ত না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি এখন পুরোপুরি 'প্রেস্টিজ ইস্যু' হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এর ফলে সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য ব্যস্ত তাঁর চিরাচরিত বিজেপিকে বাক্যধোলাই দেওয়ার কাজেই। শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ায় একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতির কথা নিয়ে সরব হন; একহাত নেন মিডিয়াকেও। এও বলেন যে তিনি কোটিপতি ঘরের মেয়ে নন, আঁতেল নন, তাই তাঁর বিরুদ্ধে যত আক্রমণ!

তৃণমূল নেত্রী যখন তাঁর ভাষণে ব্যস্ত, তখন রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এগোচ্ছে তিলে তিলে মহাপতনের দিকে। তাঁর দলের মধ্যে থেকেও ডাক্তারদের প্রতি সহানুভূতি উড়ে আসতে দেখা যাচ্ছে; এমনকি তাঁর নিজের হুমকির পরেও। সুশীল সমাজের ব্যক্তিত্বরা মুখ খুলতে শুরু করেছেন কিন্তু মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সেসবের ধার ধারতে রাজি নন।

পরিস্থিতি কিন্তু ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে!

পরিস্থিতি কিন্তু ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে!

খেলাটি কিন্তু ক্রমশই মুখ্যমন্ত্রীর হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তিনি নিজে এসএসকেএম-এ বলেছিলেন যে জরুরি অবস্থা বন্ধ করা যায় না; এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টেরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অথচ, ডাক্তারদের গণ ইস্তফার ধাক্কায় কাল পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধরাশায়ী হলে কিন্তু ঘোর বিপদে পড়বে মমতার সরকারই। সমালোচনা-ধিক্কার তো বটেই, প্রশাসন এক দিনের জন্যে চালানোও বিরাট কঠিন কাজ হয়ে পড়বে।

এরপর পুলিশকর্মীরাও পথে নামলে মমতা সামলাতে পারবেন?

এরপর পুলিশকর্মীরাও পথে নামলে মমতা সামলাতে পারবেন?

এই ঘটনার আরেকটি বিপদের ইঙ্গিতও বহন করে। এবং সেটি হয়তো মমতার গলাতে কাঁচরাপাড়ার জনসভায় একটু হলেও ধরা পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী, যিনি কী না রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীও বটে, আক্ষেপ করে বলেন যে রাজ্যের পুলিশ তাঁর কথা শুনছে না। এটি খুব উদ্বেগজনক একটি পরিস্থিতি। কয়েকদিন আগেই নবান্নতে এই নিয়ে এক ঝাঁক নেতা-মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে এই নিয়ে নালিশ করলে তিনি রাজ্যের ডিজি বীরেন্দ্রকেও কড়কানি দেন। আরও শক্ত হাতে সবকিছুর মোকাবিলা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু ধমকি-ধাতানি দিয়েও যে অবস্থা বিশেষ বদলায়নি, তা এখন পরিষ্কার। তাহলে কার ভরসায় চলছে প্রশাসন?

বাঙালিয়ানা পরে বাঁচাবেন দিদি, আগে বাংলাকে বাঁচান

বাঙালিয়ানা পরে বাঁচাবেন দিদি, আগে বাংলাকে বাঁচান

ডাক্তারদের দেখাদেখি পুলিশকর্মীরাও যদি কাল বিদ্রোহ শুরু করে নিজেদেরই নিরাপত্তা নিয়ে, তাহলে পরিস্থিতি কী হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। গত আট বছরে পুলিশকর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও কম ঘটেনি পশ্চিমবঙ্গে। আর এবারে যদি আইনরক্ষকরাই বলে ওঠেন সমবেত স্বরে যে তাঁদের সুরক্ষায় বিপন্ন, তাহলে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ইতিমধ্যেই বুঝছেন আগামী দিনগুলির ছবি? বাঙালীয়ানাকে বাহবা দেওয়ার কথা বলছেন দিদি, কিন্তু বাংলা বাঁচলে তবে তো বাঙালিয়ানা!

অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক।

English summary
West Bengal anarchy: After doctors, what if police workers also start revolting?
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more