তৃণমূল বিধায়কদের উপর সন্তুষ্ট নন পিকে! ‘স্ক্যানারে’ ফেলে দেখছেন কার দৌড় কতটা

লোকসভায় আশাতীত সাফল্য না পেয়ে প্রশান্ত কিশোরকে প্রচার কৌশল নির্ধারণের জন্য দলের দায়িত্বে এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে মুকুল রায়ের ফেলে যাওয়া কাজ তিনি দারুন সামলাচ্ছেন তৃণমূলে।

লোকসভায় আশাতীত সাফল্য না পেয়ে প্রশান্ত কিশোরকে প্রচার কৌশল নির্ধারণের জন্য দলের দায়িত্বে এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে মুকুল রায়ের ফেলে যাওয়া কাজ তিনি দারুন সামলাচ্ছেন তৃণমূলে। ইতিমধ্যে সাফল্যও এনে দিয়েছেন তৃণমূলকে। এবার লক্ষ্য ২০২১। কিন্তু তৃণমূল বিধায়কদের কাছে তিনি আদৌ সন্তুষ্ট নন।

জের বিকল্প কিছু নেই!

জের বিকল্প কিছু নেই!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই তিনি কাজ চান। শুধুই কাজ। তিনি বিশ্বাস করে কাজই সাফল্যের শিখরে নিয়ে যাবে আপনাকে।কাজ করলে ফিরে তাকাতে হবে না। আর সমালোচনা তো রাজনীতির অঙ্গ। ব্যর্থতাও তাই। কিন্তু কাজের বিকল্প কিছু নেই। সেই কাজটাই অনেক জনপ্রতিনিধি করছেন না।

প্রশান্ত কিশোর রীতিমতো ক্ষুব্ধ

প্রশান্ত কিশোর রীতিমতো ক্ষুব্ধ

করোনার আবহেও বসে নেই প্রশান্ত কিশোর। তাঁর টিম কাজ করে চলেছে। কোন জন প্রতিনিধি কী কাজ করছেন, তা নখদর্পণে প্রশান্ত কিশোরের। সেইসব দেখেই প্রশান্ত কিশোর রীতিমতো ক্ষুব্ধ। যে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিরন্তর কাজ করে চলেছেন, সেই দলের জনপ্রতিনিধিরা কেন এক লাগামছাড়া হবেন। কেন মানুষের পাশে দাঁড়াবেন না।

টিম পিকে খতিয়ান নিচ্ছে কাজের

টিম পিকে খতিয়ান নিচ্ছে কাজের

তাই প্রশান্ত কিশোরের টিম খতিয়ান নিচ্ছেন কাজের। যে সমস্ত ফাঁকিবাজ নেতা আছেন, তাঁরা নিজেদের শুধরে না নিলে তৃণমূলের তরফে বিকল্প কিছুও ভাবা হতে পারে। কেননা প্রশান্ত কিশোরের টিমের সমীক্ষায় উঠে এসেছে অধিকাংশ মানুষ ক্ষুব্ধ তৃণমূলের কিছু শতাংশ নেতা-নেত্রীর উপর।

ভিডিও কনফারন্সে বিধায়করা সতর্কিত

ভিডিও কনফারন্সে বিধায়করা সতর্কিত

বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা এক জ্বলন্ত ইস্যু। অথচ তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের একটা বড় অংশ সঠিক খোঁজখবরই রাখছেন না তা নিয়ে। টিমের কাছ থেকে এই রিপোর্ট পেয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ পিকে স্যর। তিনি রবিবারের ভিডিও কনফারন্সে বিধায়কদের সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার খোঁজখবর রাখাটা জরুরি কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।

পিকের স্ক্যানারের নীচে দাঁড়িয়ে

পিকের স্ক্যানারের নীচে দাঁড়িয়ে

ইত্যবসরে রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধির দুর্নীতির ঝড় উঠেছে, সবই কঠোর হাতে দমন করেছেন প্রশান্ত কিশোর। করোনার আভহে এবার এসেছেন রেশন দুর্নীতি। মমতার বিশ্বাস প্রশান্ত কিশোর এই প্রতিকূলতা থেকেও দলকে বের করার রাস্তা দেখিয়ে দেবেন। এই মুহূর্তে তাই রাজ্যের প্রায় সব নেতাই পিকের স্ক্যানারের নীচে দাঁড়িয়ে আছেন।

বথেকে বেশি জোর জনসংযোগে

বথেকে বেশি জোর জনসংযোগে

প্রশান্ত কিশোর দলের দায়িত্ব নিয়েই সবথেকে বেশি জোর দিয়েছিলেন জনসংযোগে। ‘দিদিকে বলো' অভিযানে তিনি সফলও হয়েছিলেন। এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছিলেন তিনি। প্রথমত জনসংযোগে তৈরি করতে বাধ্য হয়েছিলেন জনপ্রতিনিধিরা, দ্বিতীয়ত যে সমস্ত জনপ্রতিনিধিরা জন সমর্থন হারিয়ে ফেলেছিলেন তাঁরা চিহ্নিত হয়ে গিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে ফাঁকিবাজ নেতাদেরও খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি।

ফাঁকিবাজ নেতাদের কড়া বার্তা

ফাঁকিবাজ নেতাদের কড়া বার্তা

আবারও তিনি বুঝিয়ে দিলেন ফাঁকিবাজের কোনও জায়গা নেই। ফাঁকিবাজি করতে রাজনীতির ময়দানে থেকে কোনও লাভ হবে না। দলও তাঁকে সেই সুযোগ দেবে না। মানুষের পাশে না থাকলে, মানুষের জন্য কিছু না করলে মানুষের জন্য কাজের অধিকারও দেওয়া হবে না সেই শ্রেণির নেতাকে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+