ওকড়াবাড়িতে বুথের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি, চলল গুলি, আতঙ্কে পলাতক ভোট কর্মীরা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পরিস্থিতি। সকাল থেকেই রাজনৈতিক সংঘর্ষেরে জেরে উত্তপ্ত কোচবিহার। দিনহাটার বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার ঘটনার খবর আসতে থাকে। জানা গিয়েছে, কোচবিহারের ওকড়াবাড়ির ১৫১ নম্বর বুথের বাইরে ব্যাপক বোমাবাজি হয় ।

    ওকড়াবাড়িতে বুথের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি, চলল গুলি, আতঙ্কে পলাতক ভোট কর্মীরা

    [আরও পড়ুন: ভোটের হিংসা এসইউসি-র গড়ে! গুলিতে মৃত তৃণমূল কর্মী]

    ১৫১ নম্বর বুথ ঘিরে শুধুমাত্র বোমাবাজিই হয়নি। চলেছে , ব্যাপক গুলিও। ঘটনার জেরে আতঙ্কে রয়েছেন ভোট কর্মীরা। অনেকেই বুথ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন বলে দাবি একটি সূত্রের। এদিকে, ঘটনার জেরে ভয়ে কাঁটা ভোটাররাও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট পুলিশ। এর আগে, গীতলদহের ১৭১ নম্বর বুথে ভোটকর্মীদের সামনেই তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ব্যালট বক্স। জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের নির্বাচনের ব্যালট বক্স তুলে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতিরা। ভোটকর্মীদের মারধর করার অভিযোগও উঠছে দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন বুথের ভোট কর্মীরা।

    খবর, ব্যআলট বক্স ছিনতাইয়ের কথা শুনেই সেখানে ছুটে যায় পুলিশ। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। ঘটনার জেরে সেখানে বন্ধ রয়েছে ভোট গ্রহণ। স্বভাবতই আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছেন সেখানের ভোটকর্মীরা। পুলিশ প্রশাসনের নাকেট ডগা দিয়ে কীভাবে ব্যালট বক্স ছিনতাই হতেপারে , তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঘটনার সঙ্গে, জড়িতদের এখনও চিহ্নিত করতে ব্যর্থ প্রশাসন। গতকাল রাত থেকেই কোচবিহারের গীতলদহ রাজনৈতিক সংঘর্ষের শিকার। উত্তেজনা ছড়িয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘিরে।

    [আরও পড়ুন: মুখে কালো কাপড় বেঁধে ব্যালট বক্স 'ছিনতাই' দুষ্কৃতিদের! আতঙ্কে কাঁটা গীতলদহের ভোট কর্মীরা]

    English summary
    Violence at Dinhata Okrabari polling booth during west Bengal panchayat Election.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more