মুখে কালো কাপড় বেঁধে ব্যালট বক্স 'ছিনতাই' দুষ্কৃতীদের! আতঙ্কে কাঁটা গীতলদহের ভোট কর্মীরা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কোচবিহারের গীতলদহে ভোট ঘিরে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সেখানের ১৭১ নম্বর বুথে চুরি হয়েছে ব্যালট বক্স। মুখো কালো কাপড় বেঁধে দুষ্কৃতিরা বুথ থেকে তুলে নিয়ে যায় ব্য়ালট বক্স। জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের নির্বাচনের ব্যালট বক্স তুলে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। ভোটকর্মীদের মারধর করার অভিযোগও উঠছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনার জেরে ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন বুথের ভোট কর্মীরা।

    মুখো কালো বেঁধে ব্যালট বক্স ছিনতাইদুষ্কৃতিদের, আতঙ্কে কাঁটা গীতলদহের ভোট কর্মীরা

    [আরও পড়ুন: শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামেও আক্রান্ত তৃণমূল, বিরোধীদের কড়া টক্করে আঙুল কাটল কর্মীর ]

    জানা গিয়েছে, ঘটনার কথা শুনেই সেখানে ছুটে যায় পুলিশ। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। ঘটনার জেরে সেখানে বন্ধ রয়েছে ভোট গ্রহণ। স্বভাবতই আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছেন সেখানের ভোটকর্মীরা। পুলিশ প্রশাসনের নাকেট ডগা দিয়ে কীভাবে ব্যালট বক্স ছিনতাই হতেপারে , তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঘটনার সঙ্গে, জড়িতদের এখনও চিহ্নিত করতে ব্যর্থ প্রশাসন। গতকাল রাত থেকেই কোচবিহারের গীতলদহ রাজনৈতিক সংঘর্ষের শিকার। উত্তেজনা ছড়িয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘিরে।

    এদিকে, কোচবিহারের দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের করলা ছিটমহলে ভোটারদের ভোট দিতে বাধা, মহিলা ভোটারদের লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার শাসকদলের। কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় গতকাল রাত থেকেই বোমাবাজি , গুলি চালানোর খবর আসতে থাকে। তারপর আজকের ব্যালটবক্স তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘিরে রীতমত ত্রস্ত এলাকা।

    [আরও পড়ুন:বুথে দাপাদাপি অস্ত্র হাতে দুষ্কৃতীর, লাইন ছেড়ে পালালেন ভোটাররা, উত্তেজনা মুর্শিদাবাদে]

    English summary
    Violence at Chhitmahal of karala at coochbehar Panchayat Election of West Bengal

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more