• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ঝাড়গ্রামে হাতির আক্রমণেমৃত দুজন

  • |

বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম এলাকায় হাতির আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে ঝাড়গ্রাম শহরের মধ্যেই। শহরের মধ্যেই এই ভাবে হাতি ঢুকে পড়ার জন্য আতঙ্কিত ঝাড়গ্রাম শহরের লোকজন। যদিও ঝাড়গ্রামের বিভাগীয় বন আধিকারিক বাসব রাজ হেল্লাইচি জানিয়েছেন যে তারা হাতিটিকে জঙ্গলের মধ্যে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রাম শহরের মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। বন বিভাগের কর্মীরা হাতির গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। যে দুজন হাতির আক্রমণে মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারকে নিয়ম মেনে সরকারি ক্ষতিপুরণ দেওয়া হবে।

ঝাড়গ্রামে হাতির আক্রমণেমৃত দুজন

এক আত্মীয়ের মৃতদেহ শ্মশানে দাহ করে ফিরছিলেন বছর চল্লিশের সুভাষ মাহাতো। ঝাড়গ্রাম শহরের বামদা এলাকায় একটি হাতি তাকে আক্রমণ করে ও শুঁড়ে করে পেঁচিয়ে মারে।

ঝাড়গ্রাম শহরের আশেপাশেই আছে জঙ্গল। সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাতির দল। এর আগেও খাবারের খোঁজে শহরে ঢুকে পড়েছিল হাতি । একাধিক বার এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু শহরের মধ্যেই এই ভাবে হাতি ঢুকে এই প্রথম কাউকে মারল।

বন বিভাগের আধিকারিক ঝাড়গ্রাম শহরের মানুষকে আশ্বস্ত করলেও শহরের লোকজন আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারছেন না। তাদের আশঙ্কা আবার হাতি শহরে ঢুকে পড়ে আরও কাউকে আক্রমণ করতে পারে।

অন্য দিকে, ঝাড়গ্রাম শহর থেকে সামান্য কিছুটা দুরে, বাঁশতলা স্টেশনের কাছে, নান্দিয়া কুন্দরি গ্রামে হাতির আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। তার নাম মনোরঞ্জন মাহাতো। বছর তেত্রিশের মনোরঞ্জন বুধবার রাতে আগুন পোহাচ্ছিলেন। সেই সময়ে একটি হাতি তাকে আক্রমণ করে মেরে ফেলে।

এর আগে,গত কয়েক মাসে হাতির আক্রমণে ঝাড়গ্রাম এলাকায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাত জনের। এলাকায় হাতির দল ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তারা শুধু মাত্র জমিতে ফসলের ক্ষতি করেনি, বিভিন্ন এলাকায় স্কুল ও বাড়িতে ঢুকে ধান, চাল ইত্যাদি নিয়ে পালিয়েছে।

বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে যোগ ছিল আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের! বিস্ফোরক কংগ্রেস নেতা

BBC

English summary
Two person died of Elephant attack in Jhargram
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more