• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

এক মহিলার কাছে হঠাৎ দুই নবজাতক! পাচার-জল্পনায় স্থান চাইল্ড লাইনে

  • By Sanjay
  • |

কোচবিহার, ২৮ নভেম্বর : এক মহিলার কাছে দু'টি সন্তান, একটিও তাঁর নিজের সন্তান নয়। আর তাতেই জল্পনার অবতারণা। এক জনের বয়স দু'মাস, অন্যজনের মেরেকেটে মাস খানেক, কোথা থেকে এল দুই নবজাতক? রাজ্যজুড়ে যখন শিশু পাচার চক্র নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে, তখন এক মায়ের কাছে দুই নবজাতক শিশুকে ঘিরে সন্দেহ দানা বাঁধবে, তা তো বলাই বাহুল্য।

কোচবিহারের মহিষবাথান এলাকায় এক মহিলার কাছে দু'জন সদ্যোজাত শিশু রয়েছে বলে খবর পেয়েই হানা দেয় চাইল্ড লাইন। চাইল্ড লাইনের সদস্যরা তা দেখে তাজ্জবও বনে যান। জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন, কেউই তাঁর নিজের সন্তান নয়। সাথী আর্য নামে ওই মহিলার দাবি, এক সন্তান তাঁর দিদির, অন্যটি এক ডাক্তারবাবু তাঁকে লালন-পালন করার জন্য দিয়েছেন। চাইল্ড লাইন এরপর দুই শিশুর বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু কোনও কাগজপত্র না দেখাতে পারায়, দুই শিশুকেই চাইল্ড লাইনে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এক মহিলার কাছে হঠাৎ দুই নবজাতক! পাচার-জল্পনায় স্থান চাইল্ড লাইনে

সাথী স্বামীকে নিয়ে নিজের বাপের বাড়িতেই থাকেন। হঠাৎ করেই তাঁর কাছে দু'টি শিশু একসঙ্গে চলে আসায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাঁরাই অভিযোগ করেন চাইল্ড লাইনে। সাথী জানিয়েছেন, মাস দু'য়েক আগে একটি শিশুকে তাঁর হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় এক চিকিৎসক।

ওই চিকিৎসক তাঁকে জানিয়েছিলেন, সন্তান প্রসবের পর পালিয়ে গিয়েছে ওই শিশুর মা। অবিবাহিত মা বলেই তিনি পালিয়ে যান বলে অনুমান চিকিৎসকের। তারপরই সাথীকে ডেকে ওই শিশুকে তাঁর হাতে তুলে দেন। বলেন, লালনপালনের জন্য।

আর দ্বিতীয় সন্তানটি তাঁর দিদির বলে জানায় সাথী। দিদি অসুস্থ বলেই তাঁর কাছে রেখে গিয়েছে। সাথী দু'টি শিশুকেই লালনপালন করছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খতিয়ে দেখেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চিকিৎসকের ভূমিকাও সন্দেহের বাইরে নয়। যতদিন না কোনও ব্যবস্থা হচ্ছে দুই শিশু চাইল্ড লাইনেই থাকবে।

English summary
Two newborn baby, none of own a women. Due to lack of valid papers two children had sent child line
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more