বিধানসভা অধিবেশনে হাউ হাউ করে কেঁদে চলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী! কিন্তু কেন জানেন

বাজেট ভাষণ চলছিল। আর হাউ হাউ করে কাঁদছেন রাজ্যের মন্ত্রী। অন্যদিকে বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন শাসকদলের আরও এক বিধায়ক। বিধানসভা অধিবেশনে এই ছবি দেখতে খুব একটা অভ্যস্ত নন সতীর্থ বিধায়করা। ফলে হঠাত করে এই দৃশ্য দেখে অনেক

বাজেট ভাষণ চলছিল। আর হাউ হাউ করে কাঁদছেন রাজ্যের মন্ত্রী। অন্যদিকে বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন শাসকদলের আরও এক বিধায়ক। বিধানসভা অধিবেশনে এই ছবি দেখতে খুব একটা অভ্যস্ত নন সতীর্থ বিধায়করা। ফলে হঠাত করে এই দৃশ্য দেখে অনেকেই অবাক হয়ে যান।

সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কাছে ছুটে যান অন্যান্যরা। কেউ যান কৌতূহলবশত আবার কেউ যান একগুচ্ছ আশঙ্কা নিয়েই ছুটে যান রাজ্যের মন্ত্রীর কাছে। কিন্তু কেন এভাবে কাঁদলেন রাজ্যের এই দাপুটে মন্ত্রী!

বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখছিলেন বিধায়ক

বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখছিলেন বিধায়ক

বাজেট অধিবেশন চলছিল। বক্তব্য রাখছিলেন পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে তাঁর ছোটবেলার কথা। যেভাবে কষ্ট করে পড়াশুনা করেছেন তাঁরা সে কথা তুলে ধরছিলেন বিধায়ক। কার্যত বর্তমান অবস্থায় যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী ছেলেমেয়েদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন তা তুলে ধরতে গিয়েই বর্ষীয়ান এই বিধায়ক জানান, লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটা সময় মায়ের বালা বন্ধক রাখতে হয়েছিল। তিনি বলেন, কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় একটা টাকা ছিল না তাঁদের কাছে। আর সেই সময় তাঁর মা হাতের সোনার বালা বন্ধক রেখেছিলেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এনে কার্যত এক যুগান্তকারী অবস্থা তুলে ধরেছেন। এখন আর কারোর মাকে বালা বন্ধক রাখতে হবে না।

হঠাত কান্না রাজ্যের মন্ত্রীর!

হঠাত কান্না রাজ্যের মন্ত্রীর!

একদিকে যখন বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য তাঁর জীবনের সংগ্রামের কথা তলে ধরছেন অন্যদিকে তখন কাঁদছেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সতীর্থের জীবনের সেই দুঃখের কথার সঙে তাঁর জীবনও অনেকটাই এক। অন্যান্য বিধায়করা মন্ত্রীর কান্নার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, মা কে নিয়ে খুব আবেগপ্রবণ। শুধু তাই নয়, তাঁর পড়াশুনার জন্যেও তাঁর মা কেও বালা বন্দক রাখতে হয়েছিল একটা সময়। মন্ত্রীর কথায়, যখন এমএ পড়ার জন্য ভর্তি হব বলে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই তখন, অর্থের প্রয়োজন থাকলেও মায়ের কাছে তা ছিল না। মা পাড়ার লোকের কাছে ধার চেয়েছিলেন। একজন ২৫০ টাকা সুদে ধার দিয়েছিলেন মাকে। সে বিষয়টি মনে পড়ে যেতেই আর চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি বলে দাবি রাজ্যের মন্ত্রীর। একই সঙ্গে স্বপন দেবনাথের কথাতেও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। মন্ত্রীর কথায়, ''সমাজের কাছে এই উদ্যোগ কতটা প্রয়োজনীয় তা আমরা যাঁরা অনটনের মধ্যে লেখাপড়া করেছি, তাঁরা জানি।''

এই প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

এই প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

নবান্ন থেকে এই প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে এই বিষয়ে বিশদে জানার জন্য চালু করা হল টোল ফ্রি নম্বর 18001028014। এই কার্ডের হাত ধরে উচ্চশিক্ষার জন্য ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন ছাত্রছাত্রীরা। সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত এই প্রকল্পের সুবিধা নেওয়া যাবে। শম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পরই এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে বলে জানা যাচ্ছে।পরবর্তীতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, পিএইচডি সহ বিভিন্ন গবেষণার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে বলে জানা যাচ্ছে। এমন কি, বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস সহ যাবতীয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এই কার্ডের হাত ধরে ঋণ মিলবে বলে জানাচ্ছে সরকার। গ্যারেন্টারের ভূমিকা নেবে সরকারই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+