• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পাহাড় জ্বলছে, এবার জঙ্গলমহলেও আশঙ্কার মেঘ

[আরও পড়ুন:অবরোধে বিঘ্নিত দক্ষিণ-পূর্ব রেলের পরিষেবা, জানুন ট্রেন চলাচলের আপডেট]

হুল দিবসে রেল রোকো ও চাক্কা জ্যাম কর্মসূচিতে রাস্তায় নেমে আদিবাসী সংগঠন নাকাল করে ছাড়ল যাত্রী সাধারণকে। প্রশাসনকে চরম নাকাল হতে হল এদিন। শুক্রবার আদিবাসীদের অবরোধ কর্মসূচি থেকেই আওয়াজ উঠল- দাবি না মানলে পাহাড়ের মতো জঙ্গলমহলও অচল করে দেওয়া হবে।

পাহাড় জ্বলছে, এবার জঙ্গলমহলেও আশঙ্কার মেঘ

হুল দিবসকে শহিদ দিবস হিসেবে মানেন আদিবাসীরা। এই হুল দিবসে অনেকে যেমন উৎসব পালন করে, অনেকে আবার আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। দ্রুত তাদের দাবি পূরণ না করা হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন বলে হুমকিও দিয়েছে আদিবাসীদের এই সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল।

এই সংগঠনের দাবিগুলি হল- ঝাড়খণ্ড সরকারকে সাঁওতাল বিরোধী ঐতিহাসিক আইন সিএনটি ও এসপিটি আইনের সংশোধনী প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের আদিবাসীদের উপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। আদিবাসীদের জল-জমি-জঙ্গল অধিকার রক্ষা করতে হবে। মূলত ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সেই আন্দোলনের আঁচ ছড়িয়ে পড়ল পশ্চিমবঙ্গেও।

এদিন জঙ্গলমহলের বিভিন্ন স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু করে ওই আদিবাসী সংগঠনের সদস্যরা। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি নেওয়া হয়। শুধু রেল রোকো নয়, জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় পথ অবরোধও করা হয়। শালবনীতে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ হয়। নিত্যযাত্রীরা সকাল থেকেই নাকাল হয়ে পড়েন। ঝাড়খণ্ডেরও বিভিন্ন এলাকায় অবরোধ হয়।

ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সরকার সিএনটি ও এসপি অ্যাক্ট বাতিল করেছে। এই আইনে আদিবাসীদের জমি কেবল আদিবাসীরাই কেনাবেচা করতে পারত। বিজেপি সরকার এই আইন বাতিল করে যে সংশোধনী এনেছে, তাতে বলা হয়েছে যে কেউ জমি কেনাবেচা করতে পারবে। এর ফলে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা। সেই আশঙ্কা থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত।

English summary
Tribal organization threatens continuous movement at Jangalmahal.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more