• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মহাষষ্ঠীতে আরও বেশি জনজোয়ারের আশঙ্কা, নিরাপত্তা নিয়ে থাকছে নানা প্রশ্ন

কলকাতা, ১৯ অক্টোবর : কোথাও রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, রাস্তায় ভিড়ে থিকথিক করছেন মানুষ। কোথাও বা ভিড়ের চাপে আহত হয়েছেন কেউ কেউ। কোথাও বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রতিমা দর্শন। এক লহমায় এই হল মহাপঞ্চমীতে তিলোত্তমার ছবি।

মহাপঞ্চমীর সকাল থেকেই মোটামুটিভাবে ভিড় হতে শুরু করেছিল কলকাতার প্রায় সবকটি নামী পুজো মণ্ডপে। সন্ধ্যার পর থেকে তা জনপ্লাবনের আকার নেয়।

মহাষষ্ঠীতে আরও জনজোয়ারের আশঙ্কা, নিরাপত্তা নিয়ে থাকছে প্রশ্ন

রবিবারের সন্ধ্যায় চুটিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ পড়ে যান বিপাকে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, ভিআইপি রোড থেকে শুরু করে ইএম বাইপাস প্রায় সব জায়গায় জনস্রোতে ট্রাফিকের দশা বেহাল হয়ে পড়ে।

দেশপ্রিয় পার্কে সবচেয়ে বড় দেবী প্রতিমার দর্শনে গিয়ে ভিড় ও বিশৃঙ্খলায় বেশ কয়েকজন দর্শনার্থী আহত হন। উপায় না দেখে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রতিমা দর্শন।

কলকাতা পুলিশের তরফে নগরপাল নিজে ভিড়ে চোটে রাস্তায় এগোতে না পেরে ধর্মতলা থেকে মেট্রো চেপে কালীঘাটে পৌঁছন। তাই প্রশ্ন উঠছেই, যেখানে সপ্তমীর আগেই শনি ও রবিবার পড়েছে সেখানে আগে থেকে ভিড় আঁচ করে কেন ব্যবস্থা নিল না প্রশাসন?

কেন আগে থেকে সব ব্যবস্থা করে রাখা হল না যাতে রাস্তায় বেরিয়ে সুষ্ঠুভাবে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন সাধারণ মানুষ? ভিড় তো নতুন নয় পুজোর সময়, তাহলে কেন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হল? কেনই বা তীব্র যানযটে বেহাল দশা হল উত্তর থেকে দক্ষিণ?

তবে সবকিছুকে দূরে সরিয়ে এদিন থেকে উপযুক্ত নিরাপত্তা ও হয়রানিহীন পুজো পরিক্রমা করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। পুলিশের তরফে এমন আশ্বাসবাণী সত্ত্বেও আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। যেখানে পঞ্চমীর ভিড়ই সামাল দেওয়া যাচ্ছে না, সেখানে সপ্তমী থেকে নবমী কি হবে তিলোত্তমার অবস্থা তা ভেবেই আপাতত দিশেহারা পুলিশ থেকে আমজনতা।

English summary
Today is Maha Sashti, Security will be a huge concern for police
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more