ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

বাড়িতে চড়াও হয়ে অধ্যক্ষকে শাসাল টিএমসিপি, মুখে কুলুপ শিক্ষামন্ত্রীর

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    কলেজ
    জলপাইগুড়ি, ২০ সেপ্টেম্বর: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের ন্যায্য আন্দোলনকে 'শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য' বলে বর্ণনা করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অথচ তাঁর দলের ছাত্র সংগঠন কলেজের অধ্যক্ষের বাড়িতে চড়াও হয়ে আঙুল তুলে শাসিয়ে গেল। অথচ শিক্ষামন্ত্রী মুখে কুলুপ এঁটে বসে রইলেন।

    কী ঘটনা?

    অভিযোগ, জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) দাবি জানায়, এক্ষুণি কয়েকজনকে ভর্তি নিতে হবে প্রথম বর্ষে। কিন্তু অধ্যক্ষ ধীরাজ বসাক তাতে রাজি হননি। কারণ শিক্ষাবর্ষের মাঝখানে কাউকে এভাবে ভর্তি নিতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতির দরকার হয়। তিনি টিএমসিপি-কে বলেন, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন। যতক্ষণ না সেখান থেকে অনুমতি আসছে, তিনি কিছু করতে পারবেন না। কিন্তু ছাত্র সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ তোলেন, অধ্যক্ষ একটি নির্দিষ্ট রাজনীতিক দলের নির্দেশে কাজ করছেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতে চাইছেন। তাই গতকাল তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে শাসিয়ে যান ছাত্রনেতারা।

    যদিও এই ঘটনার পরও পুলিশের কাছে যাননি অধ্যক্ষ। জলপাইগুড়ি তৃণমূল সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মনকে বিষয়টি নিয়ে মিডিয়া প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, "আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না। খোঁজ নেব।"

    কিন্তু এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে আশার পরও কেন শিক্ষামন্ত্রী চুপ করে রয়েছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক মহল এতে যারপরনাই ক্ষুব্ধ।

    English summary
    TMCP threatens college principal, yet no action taken by state govt

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more