‘জরুরি অবস্থা’ টু চলছে দেশে! ডেরেক ও’ব্রায়েন নির্ভীকতার বার্তা দিলেন মিডিয়াকে
এটা কি ‘জরুরি অবস্থা’ টু! কেন্দ্রের মোদী সরকারের উদ্দেশ্যে তীব্র নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এমনই আশঙ্কা করলেন।
এটা কি 'জরুরি অবস্থা' টু! কেন্দ্রের মোদী সরকারের উদ্দেশ্যে তীব্র নিন্দা জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন এমনই আশঙ্কা করলেন। মিডিয়া হাউসগুলির প্রতি কেন্দ্রের তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের পরামর্শের নিন্দা করে ডেরেক ও'ব্রায়েন বলেন, দেশের আজ দুর্দিন। তাই কেন্দ্রের সরকার মিডিয়াকেও নিয়ন্ত্রণ করছে।

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলিকে হিংসা উস্কানি দেওয়ার, 'দেশবিরোধী মনোভাব' প্রচার এবং জাতির অখণ্ডতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনও বিষয়বস্তু প্রচার করার বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক হওয়ার জন্য একটি পরামর্শ উপস্থাপন করেছে।
বুধবার সংসদে পাস হওয়া নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিলের বিরুদ্ধে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কিছু টিভি চ্যানেলগুলি সহিংস বিক্ষোভের ফুটেজ প্রকাশিত হওয়ার পরে এই উপদেশ জারি করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে। তার বিরুদ্ধেই এদিন গর্জে উঠলেন ডেরেক ও'ব্রায়েন।
ডেরেক প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি সেন্সরশিপ চালু হচ্ছে? কি এই জরুরি অবস্থা? সরকার এই পরামর্শগুলি জারি করে গণমাধ্যমকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। এই চ্যানেলগুলি দেশবিরোধী কোনও কিছুই প্রচার করতে পারে না বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনটা দেশবিরোধী? তা তো বলুক কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক।
ডেরেক বলেন, "আপনি যখন নোটবন্দি করলেন এবং বিরোধী দল বিরোধিতা করল তখন তা দেশবিরোধী? জিএসটি, সিএবি নিয়ে যখন আমরা প্রতিবাদ জানালাম, তখন আমরা দেশবিরোধী? সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। আমরা মুক্ত গণমাধ্যমের পক্ষে। আমরা আবেদন করতে চাই সাংবাদিকদের কাছে, আপনারা নির্ভীকভাবে কাজ করুন।
সরকার গণমাধ্যমের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও বিদ্রূপ করার চেষ্টা করছে। একবার দেখুন আন্তর্জাতিকভাবে কী হচ্ছে? বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও বিদেশ মন্ত্রীরা তাদের সফর বাতিল করেছেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সফর স্থগিত করা হয়েছে। এই বার্তাটি আন্তর্জাতিক চাপ বলে ব্যাখ্যা করেন ডেরেক।












Click it and Unblock the Notifications