এবার প্রশান্ত কিশোরের ছকে দেওয়া অংকেই কি বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতি রুখবে তৃণমূল!
একুশের ল্যান্ড স্লাইড ভিক্ট্রির পরে আগামিকাল শনিবার কালীঘাটে জয়ী জন প্রতিনিধি দের নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু জয়ী প্রতিনিধিরাই নয়, সমস্ত জেলার দলের পদাধিকারীরাও উপস্থিত থাকবেন।
একুশের ল্যান্ড স্লাইড ভিক্ট্রির পরে আগামিকাল শনিবার কালীঘাটে জয়ী জন প্রতিনিধি দের নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু জয়ী প্রতিনিধিরাই নয়, সমস্ত জেলার দলের পদাধিকারীরাও উপস্থিত থাকবেন।

ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর এই বৈঠকে একাধিক বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা। একদিকে জয়ী জনপ্রতিনিধিদের কী বার্তা দেবেন মমতা তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও একাধিক রদবদল তৃণমূল সুপ্রিমো করতে পারেন বলে খবর।
দলের একাধিক মুখ যেমন গুরু দায়িত্ব নিতে পারেন আবার বেশ কয়েকজনের নাম তালিকা থেকেও বাদ যেতে পারেন। এমনটাই সূত্রের খবর। তবে এই বৈঠকে বিজেপি ঠেকাতে কি স্ট্র্যাটেজি নেওয়া হবে সে বিষয়ে আলোচনা করা হতে পারে বলে খবর।
বিপুল ভোটে জয়ের পরেই কার্যত ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে নব্য নির্বাচিত সরকারের পিছনে পড়ে গিয়েছে। একের পর এক মামলা সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্টে দায়ের করা হয়েছে। রাজ্যে ইতিমধ্যে ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের টিম। শুধু তাই নয়, একের পর এক টিম এসেছে বাংলা ঘুরে গিয়েছে।
একের পর এক টিম এসে যেভাবে বাংলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে তাতে ক্ষুব্ধ খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় টিম নিয়ে বারবার মুখ খুলেছেন তিনি। মমতার বক্তব্য, হার মেনে নিতে পারছে না বিজেপি। আর তা পারছে না বলেই এভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে।
এমনকি নারদ-কান্ডে যেভাবে তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট তিন বিধায়ক সহ শোভণ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে সিবিআই তা প্রতিহিংসা বলে ইতিমধ্যে ব্যাখা করছেন তৃণমূল। এমনকি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ।
মানুষের রায় মেনে নিতে পারছে না বলে একের পর এক এমন হেনস্তা করা হচ্ছে। আর এই বিষয়ে দলের পদক্ষেপ কি হবে তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাংগঠনিক বৈঠক হলেও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেণ ভট কৌসুলি প্রশান্ত কিশোর।
মনে করা হচ্ছে, তাঁর কষে দেওয়া অংকেই বিজেপির বিরোধীতা করা শুরু হবে বঙ্গে। পাশাপাশি কেন্দ্র যে নীতি নিয়েছে তা রুখতেও দলের পদক্ষেপ কি হবে সেই বিষয়ে পরামর্শ পিকে দিতে পারেণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মনে করা হচ্ছে, বিজেপির প্রতিহিংসা নীতির বিরুদ্ধে অস্ত্র হোক উন্নয়ণ।
এমনটাই চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাই কোনও জায়গাতেই ফাঁক রাখতে চাইছেন না তিনি। আর সেই কারণে ইয়াস পরবর্তী অবস্থায় ত্রাণ দেওয়া নিয়ে সতর্ক নবান্ন।
আর তাই কোনও পঞ্চায়তে কিঙ্গা তৃণমূল নেতার উপর ভরসা নয়, সোজাসুজি রাজ্য সরকারের অফিসারদের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে ত্রাণ। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান।
আর তাই আরও একবার দলের বৈঠকে নেতৃত্বকে সতর্ক করতে চান মমতা।












Click it and Unblock the Notifications