• search

শাসক দলের নেতার দৌরাত্ম্য, বন্ধের মুখে রাণীগঞ্জের কয়লাখনি

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    কয়লাখনি
    আসানসোল, ২৩ জুলাই: জেসপ, হিন্দুস্তান মোটরস, শালিমার পেন্টসে আগেই গণেশ উল্টেছে। এ বার রাণীগঞ্জের একটি কয়লাখনিও বন্ধ হওয়ার মুখে। এক্ষেত্রে অবশ্য তৃণমূল কংগ্রেসের দাদাগিরিই দায়ী বলে অভিযোগ। বারবার পুলিশকে জানালেও তারা ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে বলে দাবি খনি কর্তৃপক্ষের।

    ইসিএল (ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড) পরিচালিত রাণীগঞ্জের জে কে নগর কোলিয়ারিতে গণ্ডগোলের সূত্রপাত গত শুক্রবার। নিয়ম অনুযায়ী, সকাল আটটায় শিফট শুরু হয়। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের নেতা তথা ওই খনির কর্মী চুনুলাল মিশ্র আসেন সকাল ন'টায়। রোজই তিনি দেরি করতে আসতেন বলে অভিযোগ। ওই দিন কয়লাখনির সিনিয়র ম্যানেজার বি কে সিং তাঁকে তাই হাজিরাখাতায় সই করতে দেননি। এ নিয়ে বচসা শুরু হয়। ঘটনার জেরে বি কে সিংকে চুনুলাল মিশ্র বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ক্ষুব্ধ খনি কর্তৃপক্ষ শুক্রবার বিকেলেই রাণীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু পুলিশ পুতুল হয়ে বসে রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় খনি কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়ে জানায়, তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিচ্ছে। এর ফলে কয়েকশো কর্মী কর্মহীন হয়ে পড়বেন।

    কোলিয়ারির কর্তাদের বক্তব্য, পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার পরও চুনুলালবাবু হুমকি দিতে থাকেন। কোলিয়ারির এক অফিসার অসীমকুমার মণ্ডলকে ফোন করে 'দেখে নেওয়ার' হুমকি দিয়েছেন। ভয় দেখাতে এসএমএস-ও পাঠিয়েছিলেন। যদিও চুনুলাল মিশ্র বলেন, "আমার বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন। কর্তৃপক্ষের মদতে নানা দুর্নীতি হয় খনি এলাকায়। তার প্রতিবাদ করেছিলাম বলে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।" এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ইসিএল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দামোদর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "উনি আমাদের লাগাতার হুমকি দিচ্ছেন। কাজ করতে গিয়ে কারও জীবন চলে গেলে কে দায় নেবে? পুলিশ যদি হাত গুটিয়ে বসে থাকে, তা হলে কোন ভরসায় আমরা কাজ করব?"

    English summary
    TMC leader allegedly threatens officers, ECL to close down colliery in Raniganj

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more