• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

তৃণমূল কাউন্সিলরের অভিনব উদ্যোগ, ‘বিনামূল্যের বাজার’ খুলে নজির গড়লেন লকডাউনে

করোনা ত্রাস হয়ে দেখা দিয়েছে বাংলাতেও। মারণ করোনাকে বশে আনতে লকডাউনের মাত্রা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের মুখে দুটো অন্ন তুলে দিতে নি-খরচায় বাজার চালু করলেন এক তৃণমূল কাউন্সিলর। মালদহে কাউন্সিলরের এই নিখরচার বাজারে মিলছে চাল-ডাল, আলু-পিঁয়াজ, মাছ-মাংস সবই।

শুধু একটা ব্যাগ সঙ্গে আনলেই

শুধু একটা ব্যাগ সঙ্গে আনলেই

ওল্ড মালদহ পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সফিকুল ইসলামের এই উদ্যোগ এই লকডাউনের বাজারে এক মানবিক পদক্ষেপ। নিজের ওয়ার্ডে বিনামূল্যে বাজার খুলে তিনি ওয়ার্ডবাসীর মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। কোনও টাকাকড়ি লাগছে না। শুধু একটা ব্যাগ সঙ্গে আনলেই মিলছে ব্যাগভর্তি বাজার।

৮০০ পরিবার বিনামূল্যে বাজার করছে

৮০০ পরিবার বিনামূল্যে বাজার করছে

লকডাউনের বাজারে আমজনতার রোজগারের পথ একেবারে বন্ধ। সেখানে বিনা পয়সায় মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়ায় সবার মুখে হাসিও ফুটেছে। প্রায় ৮০০ পরিবার বিনামূল্যে বাজার করছে এখানে। লকডাউনের মধ্যে বিনামূল্যের বাজার তৈরি করে তিনি শুধু গরিব-দুখীদের পাশে দাঁড়াননি, এককথায় নজির সৃষ্টি করেছেন।

মহানন্দা লাগোয়া মাঠে বসেছে বাজার

মহানন্দা লাগোয়া মাঠে বসেছে বাজার

ওল্ড মালদহ পুরসভার মির্জাপুরের মহানন্দা লাগোয়া মাঠে এই বাজার বসেছে। এদিন ওই বাজার পরিদর্শনে যান রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম বেনজির নুর। দুস্থদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এই উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ দেন। আবার অবাকও হন। কারণ ৮০০ পরিবারের জন্য বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া তো মুখের কথা নয়!

লকডাউনে পাশে কাউন্সিলর

লকডাউনে পাশে কাউন্সিলর

লকডাউনের জেরে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। ফলে দিন আনি দিন খাই যাঁদের অবস্থা তাঁরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এই অবস্থায় কাউন্সিলরের উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। এমনভাবে যদি সবাই এগিয়ে আসেন, তাহলে সাধারণ মানুষ কৃতজ্ঞ চিত্তে সাহায্য নিয়ে জীবনধারণ করতে পারবে।

English summary
TMC councilor takes initiative with free cost market in lockdown situation.
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more