• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মেদিনীপুরে বাঘ পিটিয়ে মারার ঘটনার তদন্তে বিশেষ দল

  • |

গত বছর এপ্রিল মাসে মেদিনীপুরের বাগঘরায় যে বাঘটিকে পিটিয়ে মারা হয়েছিল সেই ঘটনার তদন্ত করতে শুক্রবার এলাকায় যান জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ সংস্থার (national tiger conservation authority) পূর্বাঞ্চলীয় আই জি ডাবলু লিঙ্গহো। জঙ্গলের যে জায়গায় বাঘটিকে পিটিয়ে মারা হয় এদিন সেই এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। কথা বলেন বন বিভাগের আধিকারিকদের সাথে। এখানে আসার আগে কলকাতায় রাজ্যের প্রধান মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) এর সাথে কথা বলেছেন তিনি। ফিরে গিয়ে আবার তার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। তবে এলাকার বাসিন্দাদের সাথে তিনি কোন কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

মেদিনীপুরে বাঘ পিটিয়ে মারার ঘটনার তদন্তে বিশেষ দল

গত বছর ১৩ এপ্রিল বাগঘরার জঙ্গলে পিটিয়ে মারা হয় ওই বাঘকে। তার আগে প্রায় আড়াই মাস লালগড় ও মেদিনীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ায় এই বাঘটি। ওই দিন এই জঙ্গলে শিকার করতে গিয়েছিলেন কয়েক জন আদিবাসী। বাঘের আক্রমণে তাদের দুজন‌ জখম হন। তারপর বাকি শিকারিরা এই বাঘটি কে বল্লম দিয়ে খুঁচিয়ে ও পিটিয়ে মারে। তবে এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হলেও জাতীয় পশু পিটিয়ে মারার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।

লিঙ্গহো জানিয়েছে বাঘটি এখানে আসার পর বন বিভাগের লোকজন কী কী করেছে এবং কোন পরিস্থিতিতে বাঘটিকে পিটিয়ে মারা হয় তা খতিয়ে দেখতে এখানে এসেছেন তিনি। এর মধ্যে রাজ্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে এই সংস্থার কাছে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্ট দেখে তারা সন্তুষ্ট কি না সেটা নিয়ে কিছু বলতে চাননি তিনি।

রাজ্যে ও দেশে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। এই রকম ঘটনা যাতে আর না হয় তার জন্য কী কী করা উচিত তা তারা দেখছেন বলে জানান তিনি। খুব তাড়াতাড়ি কেন্দ্রের কাছে এই ঘটনার রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন লিঙ্গহো।

English summary
Tiger death in Midnapore, Special team reaches the spot
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more