মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেষ ২১ জুলাইয়ের সভা মমতার! ভার্চুয়াল সভা নিয়ে বার্তা দিলীপের
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেষ ২১ জুলাইয়ের সভা মমতার! ভার্চুয়াল সভা নিয়ে বার্তা দিলীপের
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এটাই শেষ ২১ জুলাই। এদিন প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সঙ্গে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ নাম না করে বলেন, যিনি শ্রদ্ধাজ্ঞলি সভা করছেন, তাঁকে আশ্বাস দিতে হবে আর কোনও বিরোধীর গায়ে হাত পড়বে না।

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
এদিন প্রাতর্ভ্রমণে বেড়িয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাঁরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাঁরা যে দলেরই হোক, বাংলার মানুষ তাঁকে স্মরণ করবে।

১৯৯৩ থেকে রাজ্যের পরিস্থিতি খারাপ
এদিনম দিলীপ ঘোষ বলেন, ১৯৯৩ সালে ১৩ জন শহিদ হয়েছিলেন। সেদিনের থেকে রাজ্যের পরিস্থিতি খারাপ। তিনি বলেন, সেদিন পুলিশ এক জায়গায় গুলি চালিয়েছিস। কিন্তু এখন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গুলি, বন্দুক,বোমের আওয়াজ আসছে আর বিরোধীদের ধরে টানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মমতার কাছে অঙ্গীকার দাবি
দিলীপ ঘোষ বলেন, যদি শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞলি দিতেই হয়, যিনি তা করছেন, তাঁকে অঙ্গীকার করতে হবে, আর কোনও বিরোধীর গায়ে হাত পড়বে না। এর আগে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহিদ দিবস পালন করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। তিনি বলেন, বাম শাসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে এসপ্ল্যানেডে পুলিশের গুলিতে যুব কংগ্রেস কর্মীদের মৃত্যুর প্রতিবাদ করতে সভা শুরু করেছিলেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন বিরোধী দলে।

বিজেপির প্রহসন দিবস পালন
এদিন বিজেপি কর্মীরা কালো ব্যাজ পরবেন। কালো পতাকা তুলবেন। জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিচারিতাকে প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। দিনটিকে প্রহসন দিবস হিসেবে পালন করার কথাও জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেষ ২১ জুলাইয়ের সভা
এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেষ ২১ জুলাইয়ের সভা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁরা শহিদের রক্তে হেঁটে ক্ষমতায় এসেছেন, তাঁরা আর অন্যদের শহিদ করছেন। বলেছেন দিলীপ ঘোষ। রাজ্যে সাধারণ মানুষ ও বিরোধীদের কোনও গণতান্ত্রিক অধিকার নেই বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এটা যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবর্তন করে গিতে পারেন, তাহলে বলা যাবে তাঁর গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা আছে। না হলে শহিদদের নিয়ে রাজনীতি করবেন আর বিরোধীদের শহিদ বানাবেন, এদুটো জিনিস একসঙ্গে হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications