ডেঙ্গু শনাক্তকরণে অত্যাধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার শুরু কলকাতা পৌরসভার
ডেঙ্গু শনাক্তকরণে অত্যাধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার শুরু কলকাতা পৌরসভার
শীতের মুখে শহরে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। দ্রুত হারে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। মশাবাহিত এই রোগ প্রতিরোধে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশ্য নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পৌর সংস্থা বা কেএমসি। এবার জ্বর-জ্বালা, যক্ষ্মা, ডেঙ্গুর মতো রোগগুলিকে দ্রুত সনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে ট্রান্সমিশন পলিমেরেজ চেইন রিয়্যাকশন নামে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্র নিয়ে এলো কেএমসি। প্রাথমিক পর্যায়ে ইতিমধ্যেই ডেঙ্গু কবলিত উত্তর কলকাতার হাতি বাগান, দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুর, বেহালা ও মধ্য কলকাতার হাজী মহসিন স্কোয়ার অঞ্চল গুলিতে চারটি মেশিন বসানো হয়েছে।

কেএমসির ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ এই প্রসঙ্গে জানান, "এই যন্ত্রের সাহায্যে এরপর রক্তপরীক্ষার সঠিক ডিএনএ রিপোর্ট পেতে আমাদের সুবিধা হবে।" পাশাপাশি এই মেশিন গুলির মাধ্যমে বিনামূল্যেই সমস্ত পরীক্ষা করা যাবে বলেও জানান তিনি।
৩০টির বেশি অঞ্চল মারাত্মকভাবে ডেঙ্গু কবলিত
কলকাতার প্রায় ৩০ টির বেশি অঞ্চল ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক জায়গায় পৌঁছেছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই অঞ্চলগুলিকে জীবাণুমুক্ত করার কাজও শুরু করেছে পৌরসভা। সূত্রের খবর, অনেক ক্ষেত্রেই রক্তের রিপোর্টর সত্যতা ঘিরে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। অজানা জ্বরে মৃত্যুর ঘটনাকেও ডেঙ্গু বলে চালিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠতে দেখা গেছে। তাই ডেঙ্গুর মত পতঙ্গ বাহিত রোগগুলির মূল কারণ সনাক্ত করতেই এই মেশিন।
কলকাতা পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, " যখনই হাসপাতালে মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়, বিরোধী দলের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা অভিযোগ করেন ডেঙ্গুর কারণেই মৃত্যু হয়েছে। এই মেশিনটির মাধ্যমে কোনও প্রকার সন্দেহ ছাড়াই আমরা সঠিক রোগটিকে সনাক্ত করতে পারব।"
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সতর্কতা মূলক একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ পৌরসভার
তিনি আরও জানান, ভূগর্ভস্থ জলাশয় গুলি, এবং জলের ট্যাঙ্কগুলি সঠিকভাবে আচ্ছাদিত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তারা ইতিমধ্যেই পরিদর্শন করেছেন বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি এবং বাণিজ্যিক কারণে ব্যবহৃত বহুতল গুলিতে। এছাড়াও কেএমসির তরফে ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধিতে সারা শহর জুড়ে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে পাশাপাশি খোলা হয়েছে প্রায় ১৫ টি রক্ত সংগ্রহ কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications